ফুল দিয়ে চেনা যায় পাঁশকুড়াকে। বর্তমানে পাঁশকুড়ার পরিচয় ফুলের শহর হিসাবে। পাঁশকুড়ায় বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের চাষ হয় সারা বছরই। পাশাপাশি পাঁশকুড়ায় সারা বছর চাষ করা হয় গোলাপ। পাঁশকুড়ার পারলঙ্কা নস্করদীঘি ও মাইশোরা-সহ বিভিন্ন গ্রামে লাল সাদা গোলাপি হলুদ সহ বিভিন্ন রঙের গোলাপ চাষ হয়। এলাকার গোলাপ চাষিরা সারা বছর ধরে গোলাপ চাষ করে থাকলেও এই সময়টার জন্য মুখিয়ে থাকেন। কারণ এই সময় গোলাপের দাম ভাল পাওয়া যায়।
advertisement
আরও পড়ুনঃ সারাবছরই হবে ‘রোজ ডে’! বাড়ির বাগানে ফুটবে বিরাট সাইজের গোলাপ, কীভাবে ফুলে ভরবে গাছ? জানুন ট্রিক
পাঁশকুড়ার ওইসব এলাকার গোলাপচাষিরা ভ্যালেন্টাইন্স ডে বা প্রেম দিবসের জন্য গোলাপ বাগানের বিশেষ পরিচর্যা করে। কারণ চড়া দামে গোলাপ বিক্রি করার লক্ষ্য রাখে চাষিরা। কিন্তু শেষ চার পাঁচ বছর নানা কারণে গোলাপের সেভাবে দাম পায়নি চাষীরা। চলতি বছর প্রেম দিবসের সপ্তাহ শুরু হতেই চড়া দামে গোলাপ বিক্রি হচ্ছে। এখনই চাষিদের বাগানে ৩ টাকা থেকে ৫ টাকা দরে গোলাপ বিক্রি হচ্ছে। ভ্যালেন্টাইন্স ডের দু’একদিন আগে আরও চড়া দামে বিক্রি হবে গোলাপ। ফলে হাসি ফিরেছে গোলাপ চাষি পরিবারে।
এ বিষয়ে অভিরাম দাস নামে এক গোলাপ চাষী জানান, “শেষ কয়েক বছর ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে গোলাপ চাষ করা হলেও দাম ভাল পাওয়া যায়নি। কিন্তু এবার চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে গোলাপ। গোলাপের দাম আরও বাড়বে। আমরা খুশি গোলাপের দাম ভাল পাওয়ায়।” চলতি বছর কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয় গোলাপ চাষকে ক্ষতি করেনি। গোলাপের উৎপাদন যেমন বেশি হয়েছে , দামও তেমন বেশি পাচ্ছেন চাষিরা। অন্যদিকে, সরকারি হিমঘর চালু হওয়ায় গোলাপ সংরক্ষণ করে রাজ্যের অন্যান্য প্রান্ত-সহ বিদেশের বাজারে পাঠান যাচ্ছে। সব মিলিয়ে চলতি বছর ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র আগেই গোলাপের দাম ভাল থাকায় খুশি চাষিরা।





