এই কাজের নেপথ্যে রয়েছেন কালনার বাসিন্দা অসিত বারুই। স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও সঙ্গীতের টানে পেশা বদল করেন তিনি। তিন বছর ধরে নিজ হাতে তৈরি করছেন আফগান ও শিক রাবাব। টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানে প্রথম রাবাব দেখে কৌতূহল থেকেই শুরু হয় তাঁর পথচলা। পরে আফগানিস্তানের রাবাব গবেষক জসপ্রিত সিং ও ইরানের এক গবেষকের সহায়তায় যন্ত্র তৈরির খুঁটিনাটি রপ্ত করেন তিনি।
advertisement
অসিত বাবু এই বিষয়ে বলেন, “এই রাবাব বিক্রির টাকায় বাড়ি করেছি, সংসারেও উন্নতি হয়েছে। এখন এত চাহিদা আমি একেবারে ফাঁকা সময় পাই না। বিভিন্নভাবে আমি এখনও নতুন নতুন রাবাব তৈরি করে চলেছি।” আজ কালনায় তৈরি অসিত বাবুর রাবাব পৌঁছে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা ও ইরানে। বাংলাদেশ, মুম্বই এমনকি পাঞ্জাবের সঙ্গীত জগতেও ব্যবহার হচ্ছে তাঁর তৈরি যন্ত্র।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সেতারের সঙ্গে মিল থাকলেও রাবাব আকারে ছোট এবং সুরে সম্পূর্ণ আলাদা। ১৭ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা দামের এক একটি রাবাব তৈরি করেন অসিত বাবু। তাঁর ইচ্ছে, রাবাবের সুর ছড়িয়ে পড়ুক গোটা বাংলা জুড়ে। কেউ শিখতে চাইলে ধৈর্য থাকলে শেখাতেও প্রস্তুত তিনি। আফগান পেরিয়ে আজ রাবাবের সুর পৌঁছে গিয়েছে কালনার ওলিগলিতেও।





