TRENDING:

Ramkinkar Baij: যুগিপাড়ার আটপৌরে একটি বাড়ি থেকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি! নিভৃতে পড়ে রামকিঙ্কর বেইজের জন্মভিটে, প্রতিটি কোণায় জীবন্ত ‘ক্ষ্যাপা বাউল’

Last Updated:

Bankura News: বাঁকুড়ার যুগিপাড়ায় রয়েছে আধুনিক ভারতীয় ভাস্কর্য শিল্পের রূপকার রামকিঙ্কর বেইজের পৈত্রিক বাড়ি। বাড়িটি দেখতে সাধারণ, আটপৌরে। কিছুটা অংশ ভাঙাচোরা। বর্তমানে হেরিটেজ কমিশনের তরফে বাড়িটিতে একটি ফলক বসানো হয়েছে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
বাঁকুড়া, নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়: বাঁকুড়া শহরের যুগিপাড়ায় আজও নীরবে দাঁড়িয়ে রয়েছে আধুনিক ভারতীয় ভাস্কর্য শিল্পের পথিকৃৎ রামকিঙ্কর বেইজের পৈত্রিক বাড়ি। শিল্পী রামকিঙ্কর বেইজ শুধু একজন ভাস্কর বা চিত্রশিল্পী নন, তিনি ছিলেন এক অনন্য জীবনশিল্পী এবং শিল্পসাধক। তাঁর সৃষ্টিশীলতা, জীবনদর্শন ও কাজের ধরণ তাঁকে ভারতীয় শিল্পের ইতিহাসে এক বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। অনেকেই তাঁকে ‘ক্ষ্যাপা বাউল’ বলে ডাকতেন। আবার কারও চোখে তিনি ছিলেন বিতর্কিত এক চরিত্র।
advertisement

কিন্তু শিল্প জগতে তিনি ছিলেন এক অপার বিস্ময়। এক অনবরত অনুসন্ধান ও সৃষ্টির নাম রামকিঙ্কর বেইজ। বাঁকুড়ার এই জন্মভিটে আজও যেন তাঁর স্মৃতিকে ধারণ করে আছে। বাড়িটি দেখতে সাধারণ, আটপৌরে এবং কিছুটা ভাঙাচোরা হলেও তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমানে হেরিটেজ কমিশনের তরফ থেকে সেখানে একটি ফলক বসানো হয়েছে। যা এই বাড়ির ঐতিহ্যকে চিহ্নিত করে।

advertisement

আরও পড়ুনঃ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কাজের সুযোগ! উৎকর্ষ বাংলা প্রকল্প বদলাচ্ছে সুন্দরবনের নারীদের ভবিষ্যৎ, সুচ-সুতো আর কাঁচিতেই আয়ের পথ প্রশস্ত

বাড়ির ভিতরে এখনও রামকিঙ্করের তৈরি কিছু শিল্পকর্ম দেখা যায়। যদিও তাঁর অধিকাংশ বিখ্যাত ভাস্কর্য ও কাজ সংরক্ষিত রয়েছে শান্তিনিকেতনে। তবুও শিল্পপ্রেমীরা এখানে এসে অনুভব করতে পারেন শিল্পীর জীবনের শিকড়কে।

advertisement

View More

আরও পড়ুনঃ ডিউটিতে জয়েন করার পর হঠাৎই যোগাযোগ বন্ধ! ২ মাস ধরে নিখোঁজ জুনিয়র কনস্টেবল, উদ্বেগ বাড়ছে পুরুলিয়ায়

ইতিহাস গবেষক সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, “সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হল, বাঁকুড়ার মানুষই রামকিঙ্করকে প্রকৃত অর্থে চিনতে পারেনি। অথচ তিনি ছিলেন অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী।” সত্যিই, সাধারণ জীবনযাপন করলেও তাঁর শিল্পচর্চা ছিল অসীম। নিজের চারপাশের মানুষ, প্রকৃতি এবং সমাজের দৃশ্য থেকেই তিনি খুঁজে নিতেন তাঁর শিল্পের অনুপ্রেরণা। তাঁর শিল্পভাবনা ছিল একেবারেই স্বতন্ত্র এবং মুক্তচিন্তার প্রতিফলন।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

১৯২৫ সালে নন্দলাল বসুর ছাত্র হিসেবে রামকিঙ্কর বেইজ শান্তিনিকেতনের কলাভবনে যোগ দেন এবং টানা ৪৬ বছর সেখানে শিল্পচর্চা করেন। পরবর্তীতে তিনি ভাস্কর্য বিভাগের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে! লাল মাটির বনপথে ডানা মেলুন সুতানের জঙ্গলবাড়ি ইকো পার্কে
আরও দেখুন

তাঁর তৈরি ভাস্কর্যগুলির আকার সাধারণত বড় এবং জীবন্ত অভিব্যক্তিতে ভরপুর। উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘সাঁওতাল পরিবার’, ‘সাঁওতাল রমণী’, ‘গান্ধিজি’ সহ আরও বহু সৃষ্টি। তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তিও নির্মাণ করেছিলেন। ভারতীয় শিল্পে আধুনিকতার জনক হিসেবে রামকিঙ্কর বেইজকে আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Ramkinkar Baij: যুগিপাড়ার আটপৌরে একটি বাড়ি থেকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি! নিভৃতে পড়ে রামকিঙ্কর বেইজের জন্মভিটে, প্রতিটি কোণায় জীবন্ত ‘ক্ষ্যাপা বাউল’
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল