দেশের সীমান্তরক্ষার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বহু বছর পরিবার, পরিজন ও গ্রাম থেকে দূরে কাটাতে হয়েছে নবকৃষ্ণবাবুকে। অবসর জীবনের শুরুতেই নিজের শিকড়ে ফিরে এসে গ্রামের মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় তিনি আপ্লুত হয়ে পড়েন। গ্রামের প্রবীণদের পাশাপাশি যুবক-যুবতীরাও তাঁর সাহস, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এগিয়ে আসেন। সকলের মুখে ছিল একটাই কথা, এমন দেশসেবকের জন্য গর্বিত গোটা গ্রাম।
advertisement
আরও পড়ুনঃ একটার দামই ২০০০ টাকা! কালনার মেলায় বিক্রি হচ্ছে দৈত্যাকার মিষ্টি, দূরদূরান্ত থেকে কিনতে আসছে লোকজন
জানা যায়, ১৯৮৭ সালে সীমান্তরক্ষা বাহিনীতে যোগ দেন নবকৃষ্ণ রায়। কর্মজীবনের প্রথম দীর্ঘ একুশ বছর তিনি কাশ্মীরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কর্তব্যরত ছিলেন। এরপর রাজস্থান হয়ে বাংলার সীমান্ত এলাকায়ও দায়িত্ব পালন করেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রায় ৩৮ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের সেবা করে অবশেষে অবসর গ্রহণ করে নিজের গ্রামে ফিরে এলেন এই বিএসএফ জওয়ান। গ্রামের মাটিতে তাঁর এই প্রত্যাবর্তন যেন শুধু একজন সৈনিকের বাড়ি ফেরা নয়, বরং দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের এক জীবন্ত উদাহরণ হয়ে রইল।





