সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রতিযোগীদের সঙ্গে কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে শুভময়। এত অল্প বয়সে জাতীয় মঞ্চে এমন সাফল্য নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং অনুপ্রেরণাদায়ক বলে মনে করছেন ক্রীড়ামহলের অনেকেই।
advertisement
শুভময়ের এই সাফল্যে শুধু তাঁর পরিবারই গর্বিত নয়, গোটা আদ্রা শহর এবং পুরুলিয়া জেলার গর্বে বুক ভরেছে। এলাকার ক্রীড়াপ্রেমী মানুষজন শুভময়কে অভিনন্দনে ভরিয়ে তুলেছেন। তাঁর এই সাফল্য প্রমাণ করে, সঠিক প্রশিক্ষণ ও নিষ্ঠা থাকলে ছোট শহর বা মফঃস্বল এলাকা থেকেও জাতীয় স্তরে সাফল্য অর্জন সম্ভব।
ছোট্ট শুভময় দীর্ঘদিন ধরে আদ্রার একটি ক্যারাটে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিয়মিত অনুশীলন করে আসছে। তাঁর কোচ বিকাশ কুমার রজক ছাত্রের সাফল্যে অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি বলেন, “শুভময়ের এই সাফল্য আমাদের সকলের কাছে অত্যন্ত গর্বের। ও খুবই পরিশ্রমী ও শৃঙ্খলাবদ্ধ। আগামী দিনে শুভময়কে কীভাবে আরও বড় মঞ্চে পৌঁছে দেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ভবিষ্যতে রাজ্য ও জাতীয় স্তরের আরও বড় প্রতিযোগিতায় শুভময় সাফল্যের শিখরে পৌঁছবে, এমনটাই দৃঢ়ভাবে আশা করেছেন তাঁর কোচ, পরিবার এবং শুভানুধ্যায়ীরা। সব মিলিয়ে, শুভময়ের এই সাফল্য নিঃসন্দেহে আদ্রা তথা পুরুলিয়া জেলার ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।





