তাদের মতে, নিজের জেলার অজানা ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুনভাবে উপস্থাপন করা এখন অত্যন্ত প্রয়োজন। পুরুলিয়া জেলার বহু অজানা ইতিহাস ও লোককথা রয়েছে, যা নতুন প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরা গেলে তারা বইয়ের প্রতি আরও আগ্রহী হবে।
advertisement
এ প্রসঙ্গে পুরুলিয়ার বিশিষ্ট কবি অধীর কুমার হালদার বলেন, “আগেকার দিনে মূলত ধর্মীয় বিষয় ভিত্তিক অনেক বই লেখা হত। কিন্তু বর্তমান সময়ে সেই ধরনের বই পড়তে আজকের প্রজন্ম তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তাই আমাদের উচিত সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজকের প্রজন্মের উপযোগী বই লেখা এবং তা তাদের হাতে তুলে দেওয়া। বিশেষ করে পুরুলিয়ার অজানা ইতিহাস, লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে লেখা হলে বর্তমান প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই সেগুলো জানার একটা আগ্রহ তৈরি হবে।”
আরও পড়ুনঃ ফালাকাটায় রাত হলে দেখা মিলছে চারপেয়ে ছায়ামূর্তির! শোনা যাচ্ছে গর্জন, লেপার্ড আতঙ্কে কাঁটা শহর
অন্যদিকে কাশীপুর বইমেলা কমিটির সম্পাদক সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, “বর্তমান যুবসমাজকে আরও বেশি করে বইমুখী করে তুলতেই কাশীপুর বইমেলার আয়োজন। যেখানে এলাকার প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষভাবে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে ছোটবেলা থেকেই বইয়ের সঙ্গে তাদের বন্ধন গড়ে ওঠে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কাশীপুর বইমেলায় এমন মতামত উঠে আসায় স্পষ্ট, বইয়ের বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনার ধরনে সময়োপযোগী পরিবর্তন আনতে পারলেই আবারও যুবসমাজকে বইয়ের জগতে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।





