ইতিমধ্যেই সুইডেনের পর্যটকরা বনছায়া বস্তিতে এসে পৌঁছেছেন। গ্রামের বিশেষ যোগা শিবিরে অংশ নিয়েছেন তাঁরা।ঘুরে দেখেন দু’বছর আগে তৈরি হওয়া এই গ্রাম ও তার পাশে থাকা চা বাগান। পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকদের সামনে ডুয়ার্সের জনজাতিগুলির সংস্কৃতি ও খাবার তুলে ধরেছেন স্থানীয়রা। এভাবে বিদেশি পর্যটকের আগমনে আগামী দিনে আলিপুরদুয়ারের পর্যটন মানচিত্রে বনছায়া বস্তি এক নতুন স্থান তৈরি করতে পারবে বলে আশার আলো দেখছেন বাসিন্দারা।
advertisement
বক্সা জঙ্গলকে বাঘের উপযুক্ত গড়ে তোলার জন্য ২০২৪ সালে বক্সা জঙ্গল ঘেরা কালচিনি ব্লকের গাঙ্গুটিয়া ও কুমারগ্রাম ব্লকের ভুটিয়া বস্তির প্রায় ৩৫০ জন বাসিন্দাদের রাজ্য সরকার তরফে তৈরি বনছায়া বস্তিতে স্থানান্তর করা হয়। তবে নতুন জায়গায় এসে কর্মসংস্থানের অভাবে ভুগছিলেন অধিকাংশ মানুষ। এরপর সরকারি সাহায্যে অনেকেই বর্তমানে পর্যটন ব্যবসাকে রোজগারের উৎস করে নেন।
ইতিমধ্যেই এখানে তৈরি হয়েছে প্রায় ১০টির বেশি হোমস্টে। আরও ৬টি তৈরি হচ্ছে। শহুরে কোলাহল এবং নিত্যদিনের জীবনযাপন থেকে কিছুটা বিরতি নিতে ভ্রমণপিপাসুরা যেমন অফবিট জায়গার খোঁজ করেন, তেমনই একটি জায়গা বনছায়া বনবস্তি। ভুটান পাহাড় দিয়ে ঘেরা এই গ্রাম। সেই সঙ্গেই বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গল রয়েছে। বর্ষায় সবুজে মুড়ে যায় চারদিক।
এছাড়া এখান থেকে কয়েক মিনিটের দূরত্বে যেমন রয়েছে পাহাড়ি গ্রাম রায়মাটাং, তেমনই ঘণ্টাখানেকের দূরত্বে রয়েছে বক্সা ফোর্ট, জয়ন্তী, জলদাপাড়া, প্রতিবেশী দেশ ভুটান সহ একাধিক পর্যটনকেন্দ্র। ফলে এই গ্রাম ও তার আশেপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে উপলব্ধি করতে এই গ্রামে বিদেশি পর্যটকদেরও আনাগোনা শুরু হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সুইডেন থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক শেল হুক জানান, তাঁরা সুইডেনের পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এর আগেও তাঁরা আলিপুরদুয়ারে এসেছেন। তবে এবার এই জেলায় বেড়াতে এসে বনছায়াবস্তি সম্পর্কে জানতে পারেন। তিনি বলেন, “এই পর্যটনক্ষেত্রের দুর্দান্ত ভবিষ্যৎ রয়েছে। কতটা শান্ত এই এলাকা। পাশাপাশি এখানকার সংস্কৃতি মন ছুঁয়ে যায়।”





