Unique Education Initiative: অঙ্কের জটিল ধাঁধার এবার খেলাচ্ছলে সমাধান! বীরভূমের স্কুলের বিশেষ আয়োজনে মুগ্ধ অভিভাবকরা, জানলে আপনিও কুর্নিশ জানাবেন
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
Birbhum School Unique Education Initiative: গণিত মানেই আতঙ্ক নয়, বরং মজার এক বিষয়। পড়ুয়াদের মনে এই বিশ্বাস তৈরি করতে বীরভূমের একটি স্কুলে আয়োজিত হল বিশেষ এক অনুষ্ঠান। অভিনব শিখন পদ্ধতির মাধ্যমে অঙ্ককে সহজ করে তোলার এই প্রচেষ্টাকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন জেলাবাসী।
advertisement
1/6

গণিত এমন একটি বিষয় যা বহু পড়ুয়ার কাছে বড় ভয়ের কারণ। আর সেই ভয়ই যেন পড়ুয়াদের দিন দিন আরও দুর্বল করে দেয়। সেই কারণেই এবার গণিতের ভয়কে জয় করতে অভিনব এক উদ্যোগ নিতে দেখা বীরভূমের এক স্কুলকে। যে প্রচেষ্টাকে আপনিও কুর্নিশ জানাবেন গ্যারান্টি।
advertisement
2/6
বিজ্ঞানের জয়গান আর গণিতের জট খোলার অঙ্গীকার নিয়ে এবার মহাসমারোহে ‘পাই দিবস’ উদযাপিত হল বীরভূমের সিউড়ি এক নম্বর ব্লকের অন্তর্গত কড়িধ্যা যদুরায় মেমোরিয়াল অ্যান্ড পাবলিক ইনস্টিটিউশনে। শনিবার এই বিশেষ দিনটি আয়োজিত হয়। বিশেষ এই দিনটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে কারণ এই দিনেই বিশ্ব বরণ করে নিয়েছিল প্রবাদপ্রতিম বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনকে এবং বিদায় জানিয়েছিল ব্ল্যাক হোল গবেষণার পথিকৃৎ স্টিফেন হকিংকে।
advertisement
3/6
দিনের শুরুতে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় আইনস্টাইন ও হকিংয়ের অবদান শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল গণিতের অন্যতম রহস্যময় ধ্রুবক 'পাই' (π)। বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত থেকে কীভাবে এই মান বের করা যায় এবং আধুনিক বিজ্ঞানে এর গুরুত্ব ঠিক কতটা, তা অত্যন্ত সহজভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে তুলে ধরা হয়।
advertisement
4/6
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘পাই’-এর মান মনে রাখার প্রতিযোগিতা। শর্ত ছিল, দশমিকের পর যে সবথেকে বেশি ঘর পর্যন্ত নির্ভুলভাবে মান বলতে পারবে, সেই হবে বিজয়ী। এই প্রতিযোগিতায় সকলকে তাক লাগিয়ে দেয় ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র রাজদীপ হাজরা। সে কোনওরকম সাহায্য ছাড়াই পাই-এর মান দশমিকের পর ৮১টি ঘর পর্যন্ত নির্ভুলভাবে বলে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা ছিনিয়ে নেয়। খুদে ছাত্রের এমন অসাধারণ স্মৃতিশক্তি দেখে উপস্থিত শিক্ষক ও অভিভাবকরা বিস্মিত হন।
advertisement
5/6
প্রতিযোগিতায় প্রথম পাঁচজন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হয়। তবে পুরস্কারের তালিকাতেও ছিল বিশেষ চমক। প্রথাগত বই ও পেনের পাশাপাশি দিনটির গুরুত্ব বজায় রাখতে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ‘পাই’ (Pie) বা এক বিশেষ ধরনের কেক বা পাউরুটি। পড়াশোনার উপকরণের সঙ্গে খাবারের এই মেলবন্ধন পড়ুয়াদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে।
advertisement
6/6
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, এই ধরনের কর্মসূচি আগামী দিনে ছাত্র-ছাত্রীদের বিজ্ঞানের প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে এবং গণিতভীতি দূর করতে সহায়ক হবে। পুরো অনুষ্ঠান জুড়েই ছাত্র-ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।