রাজ্য তথা দেশজুড়ে তমলুক রাজবাড়ি সাধারণ মানুষের কাছে আলাদাভাবে সমাদৃত। মহাভারতের সংগ্রাম থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে তমলুক রাজবাড়ি এক উল্লেখ্যযোগ্য নাম। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক উজ্জ্বল অধ্যায় তমলুক রাজবাড়ি ঘিরে রচিত হয়েছে। তমলুকের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা কর্মী তথা স্বদেশের কাছে অন্যতম পীঠস্থান ছিল এই রাজবাড়ি।
স্বদেশিদের সাহায্য করার পাশাপাশি স্বাধীনতা সংগ্রামে জড়িত হওয়ার কারণে এই রাজবাড়ির সদস্যরা বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ পুলিশের রোষানলে পড়েছেন। এমনকী রাজবাড়ির সদস্যদের ব্রিটিশ পুলিশ জেলেও পাঠিয়েছিল। কালের নিয়মে সময় গড়িয়ে চললে ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার পর, ভারতবর্ষে রাজতন্ত্র ছেড়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: টার্গেট ‘৮-০’! প্রয়াত মুকুল রায়ের বিধানসভায় জিততে এবার নতুন মুখেই ‘প্রেস্টিজ ফাইট’ তৃণমূলের
কিন্তু এই রাজবাড়ি সদস্যরা যেন কিছুটা পিছনের সারিতেই ছিল ভারতের গণতন্ত্রের ইতিহাসে। সেই ইতিহাস অনেকটাই বদলে দিয়েছেন ডঃ দীপেন্দ্র নারায়ণ রায়। রাজবাড়ির সদস্য হিসেবে তিনিই প্রথম গণতন্ত্রের দলীয় রাজনীতির অংশ হন। এর আগে বেশ কয়েকবার তাম্রলিপ্ত পৌরসভার কাউন্সিলর ও চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এবার সরাসরি রাজ্য আইনসভার যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। শাসকদলের দলীয় প্রার্থী তমলুক বিধানসভার।
এ বিষয়ে ডঃ দীপেন্দ্র নারায়ণ রায় জানান, “ভোটে লড়াই করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। পৌর প্রতিনিধি হিসাবে মানুষের কাজ করেছি। এবার দায়িত্বটা কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা করতে যাওয়ার জন্য কোন পিছুটান নেই। বরং এর আগে পৌরসভা নির্বাচনের অভিজ্ঞতাটাকেই কাজে লাগাব। প্রচার শুরু করেছি শুধু দলীয় কর্মী সমর্থকের না সাধারণ মানুষের আবেগ কাজ করছে আমি রাজবাড়ি সদস্য হওয়ায়। তাই বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত আমি জয়লাভ করব।”
প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পরেই সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত চলছে প্রচার। রাজবাড়ির এই সদস্য নিজের প্রচারে রাজসুখ ভুলে ভোট প্রার্থী হয়ে পৌঁছে যাচ্ছে না গ্রামেগঞ্জে সাধারণ মানুষের দরজায়।





