আরও পড়ুনঃ ক্ষণে ক্ষণে মত পরিবর্তন! অবশেষে অভিষেকের এক ফোনেই গলে জল অসিত! জানালেন, ‘দেবাংশুর পাশে আছি’
তপন চ্যাটার্জী বলেন, “আইপ্যাক তো অনেক, কেউ সকালে ফোন করে কেউ বিকালে ফোন করে। টাকা দিতে পারিনি বলে যে টিকিট পাইনি সেটা আমি বলতে পারব না। তবে কারা কারা দিয়েছে কত দিয়েছি তা আমি শুনেছি। তবে আমি টাকা দিতে পারব না সেটা আমি বলেই দিয়েছি।”তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেই নির্বাচনী প্রচারে গতি বাড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের নতুন প্রার্থী বসুন্ধরা গোস্বামী এদিন পূর্বস্থলীর পারুলিয়া এলাকায় কর্মীদের নিয়ে একটি সংগঠনিক সভা করেন। সেখানে উপস্থিত কর্মীদের নিয়ে আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি, বুথভিত্তিক কাজ এবং মানুষের কাছে পৌঁছানোর কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
advertisement
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বসুন্ধরা গোস্বামী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দলের টিকিট কোনোভাবেই অর্থের বিনিময়ে দেওয়া হয় না। তিনি বলেন, দল সর্বদাই যোগ্যতা ও সংগঠনের কাজের ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করে।একইসঙ্গে বর্তমান বিধায়কের অভিমান প্রসঙ্গে তিনি ইতিবাচক সুরে জানান, খুব শীঘ্রই তপন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর দেখা হবে এবং আলোচনার মাধ্যমে সব ভুল বোঝাবুঝি মিটে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।
বসুন্ধরা গোস্বামী আরও বলেন, “আমাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করার জন্য আমি মমতা ব্যানার্জি এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে ধন্যবাদ জানাই। আমি খুব খুশি। তবে তপন চট্টোপাধ্যায় এর কথা আমি বিশ্বাস করিনা। আইপ্যাক আমাদের সাহায্য করে ঠিকই তবে অর্থের বিনিময়ে নয়। উনি যে কথাগুলো বলেছেন অভিমান থেকে।”সব মিলিয়ে পূর্বস্থলী উত্তর কেন্দ্র এখন নির্বাচনী প্রচারের তুঙ্গে। দলীয় স্তরে ঐক্য বজায় রেখে মানুষের কাছে পৌঁছনো এবং উন্নয়নের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এখন প্রধান লক্ষ্য,এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।





