অদ্রিজার নাচের প্রতি এই আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে মা তাকে ভর্তি করান একটি নাচের স্কুলে। নিয়ম করে প্রতিদিন ক্লাসে নিয়ে যেতেন তিনিই। সেখানেই শুরু হয় অদ্রিজার প্রকৃত প্রশিক্ষণ। নাচের শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে সে নাচের নানা ধরণ শিখতে থাকে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে শুরু করে। বাড়িতেও নিয়মিত প্র্যাকটিস চলত। পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে সে বাড়ির উঠানে নাচের অনুশীলন করত। ছোট্ট বয়সেই এই পরিশ্রম তার সাফল্যের পথে বড় ভূমিকা নিয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ গরম পড়তেই মশার জ্বালায় অতিষ্ট, বাড়িতে থাকুক ‘৩’ গাছের একটি, ঘরের ত্রিসীমানায় একটা মশাও আসবে না
এরপর একদিন হঠাৎই আসে বড় সুযোগ। বাংলার একটি টেলিভিশন রিয়েলিটি শো থেকে ডাক আসে তার কাছে। প্রথমে বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারেনি পরিবার। কিন্তু অডিশনে নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করে অদ্রিজা। ধাপে ধাপে সে এগিয়ে যায় প্রতিযোগিতায়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রতিভাবান প্রতিযোগীদের সঙ্গে লড়াই করে নিজের জায়গা পাকা করে সে। প্রতিটি পর্বে তার পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মত। বিচারক থেকে দর্শক—সকলেই তার নাচের প্রশংসা করে। শেষ পর্যন্ত সে দর্শকদের চমকে দেয়।
ট্রফি, চেক এবং একটি স্কুটি তার সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। এত কম বয়সে এমন বড় অর্জনে গর্বিত তার পরিবার-সহ প্রতিবেশীরা। অদ্রিজার সাফল্যের গল্প এখন অনেকের অনুপ্রেরণা। তবে এখানেই থেমে থাকতে চায় না সে। ভবিষ্যতে জাতীয় স্তরের মঞ্চে নিজের প্রতিভা প্রকাশের স্বপ্ন দেখছে খুদে অদ্রিজা।





