সভামঞ্চ থেকে তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষায় বলেন, “কিছু নেতার মাথা গরম হয়ে আছে। তাঁদের বাড়ির লোকজনকে বলব, মাথায় জলপড়া দিন, তাহলে ঠান্ডা হবে।” যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি, তবুও তাঁর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী এই বিষয়ে বলেন, “জলপড়ার উদ্দেশ্য হল মানুষ গরম হলে মাথায় জল দেয়, বরফ দেয়। ১০ জন নেতা গরম খেয়ে আছেন। এলাকার মানুষের দোষ নেই। গ্রাম পঞ্চায়েত, সমিতি, সদস্য যারা মাথা গরম করে আছেন তাদের জলপড়া দেব আর তাদের বউদের বলব মাথায় দাও ঠান্ডা হবে। আর কোন উশৃংখলতা তোলাবাজি চলবে না।” স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই মন্তব্য দলীয় অভ্যন্তরের চলা মতবিরোধের দিকেই ইঙ্গিত করছে। মন্তেশ্বর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্যের খবর শোনা যাচ্ছে, যা সাম্প্রতিক প্রার্থী ঘোষণা পর্বে আরও সামনে এসেছে। প্রসঙ্গত, প্রার্থী ঘোষণার পর কিছু এলাকায় অসন্তোষের ছবিও সামনে আসে।
advertisement
সেই প্রেক্ষাপটেই সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর এই ‘মাথা ঠান্ডা রাখার’ বার্তাকে অনেকেই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন।তবে বক্তব্যের শেষদিকে তিনি শান্তি ও সম্প্রীতির উপর জোর দিয়ে সকলকে একসঙ্গে থাকার আহ্বান জানান। তাঁর কথায়, উন্নয়নের স্বার্থে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হওয়াই এখন সবচেয়ে জরুরি।





