আর সেই জঙ্গলকেই হরিণালয় হিসেবে গড়ে তোলার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীদের মতে, টাকির এই মিনি সুন্দরবনে যদি হরিণালয় তৈরি করা যায়, তাহলে পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়বে। এতে করে এলাকার পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে এবং স্থানীয় মানুষের আয়ের নতুন পথ খুলে যাবে।
advertisement
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন উদ্যোগ নিয়ে এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করলে টাকি নতুনভাবে পর্যটন মানচিত্রে উঠে আসতে পারে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁরা। এখন দেখার, প্রশাসন এই দাবির প্রতি কতটা গুরুত্ব দেয়। এলাকার ব্যবসায়ীদের একাংশের মতে, পর্যটক সংখ্যা বাড়লে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও স্থানীয় দোকানগুলির ব্যবসাও চাঙ্গা হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অনেকেই মনে করছেন, সুন্দরবনের আদলে ছোট পরিসরে এমন উদ্যোগ নিলে তা শিক্ষামূলক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি, বনদফতরের তত্ত্বাবধানে পরিকল্পিতভাবে হরিণালয় গড়ে তুললে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে পরিবেশবিদদের একাংশ সতর্ক করে বলেছেন, প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রেখে এবং যথাযথ পরিকাঠামো তৈরি করেই এমন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা উচিত।





