স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচন উপলক্ষে প্রশাসনের নির্দেশে ওই বিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সেখানে জওয়ানরা থাকবেন। এর জেরে বন্ধ হয়ে যায় স্কুলের স্বাভাবিক পাঠদান। প্রায় দেড় হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে পড়ুয়াদের ক্ষতি এড়াতে উদ্যোগী হন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
advertisement
আরও পড়ুনঃ চালাঘরের ভিতর হুড়মুড়িয়ে ঢুকল পণ্যবাহী লরি! কাকদ্বীপে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, পলাতক চালকের খোঁজে পুলিশ
স্থানীয় পঞ্চায়েত ও অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে এলাকারই অন্য একটি ফাঁকা স্কুল পাল্লা দেবরানী বালিকা বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু করা হয়। ঘরসংখ্যা কম থাকায় প্রায় ২০ জন শিক্ষক ভাগাভাগি করে পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াচ্ছেন। নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি চলছে পিটি, প্যারেড ও যোগব্যায়ামও।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখর বিশ্বাস জানান, ভোটের জন্য স্কুল বন্ধ থাকলেও আমরা চাইনি পড়ুয়াদের পড়াশোনার ক্ষতি হোক। সামনে পরীক্ষা, সিলেবাস শেষ করাও জরুরি। তাই বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পড়ুয়াদের মধ্যেও এই উদ্যোগে খুশির সুর। অভিভাবকরাও শিক্ষকদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এক অভিভাবিকার কথায়, শিক্ষকরা ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে অন্য স্কুলে পড়ানোর ব্যবস্থা করেছেন। নিয়মিত ক্লাস হচ্ছে এটা আমাদের কাছে বড় স্বস্তির। শুধু অভিভাবকরাই নন, গোপালনগরের সাধারণ মানুষও শিক্ষকদের এই দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। ভোটের কারণে সাময়িক অসুবিধা তৈরি হলেও, পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এমন উদ্যোগ এক অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি করল তা বলাই যায়।





