TRENDING:

WB Assembly Election 2026: দেওয়াল লিখন তো দূর, নেতাদের ছায়াও দেখেননি কেউ! কেতুগ্রামের বিধানপল্লী যেন এক ভিনগ্রহের গ্রাম

Last Updated:

WB Assembly Election 2026: ভোট প্রচারে বেরিয়ে প্রতিশ্রতির বন্যা বইয়ে দেন প্রার্থীরা। শোনা যায় নানা উন্নয়নের কথা। কিন্তু কেতুগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের বিধানপল্লী গ্রামে প্রচারেও যান না প্রার্থীরা। বেহাল যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য অনেকে ছেড়েছেন গ্রাম। বাকিদের বাস করতে হচ্ছে দুর্দশার সঙ্গে লড়াই করে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
কেতুগ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: ভোটের মরশুম এলেই সাধারণত গ্রাম থেকে শহর, সব জায়গাতেই দেখা যায় রাজনৈতিক দলগুলির জোরকদম প্রচার। প্রার্থীরা ঘরে ঘরে যান, প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দেন। কিন্তু পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের বিধানপল্লী গ্রাম যেন সেই চেনা ছবির সম্পূর্ণ বিপরীত এক বাস্তবতা তুলে ধরছে। গ্রামবাসীদের দাবি, আজ পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থী তাদের গ্রামে ভোট প্রচারে আসেননি। ভোটের সময়ও এখানে নেই দেওয়াল লিখন, নেই দলীয় পতাকার ছোঁয়া।
advertisement

প্রার্থীদের নাম তারা শুনেছেন বটে, কিন্তু তাঁদের চোখে দেখা বা সরাসরি কথা বলার সুযোগ কখনও হয়নি। ফলে ভোটের উৎসবও যেন এখানে এক অদেখা, দূরের বিষয়। আক্ষেপের সুরে গ্রামবাসী সরলা বিশ্বাস, ভবতোষ বিশ্বাসেরা বলেন, “আমাদের এখানে আজ অবধি কোনও প্রার্থী আসেনি প্রচারে। তাঁদের নাম শুনেছি কিন্তু গ্রামে দেখিনি। আমাদের এখানকার প্রধান সমস্যা হল যোগাযোগ ব্যবস্থা। আজ অবধি কোনও উন্নয়ন হয়নি।” উন্নয়নের ক্ষেত্রেও একই ছবি। গ্রামের ঢালাই রাস্তা ভেঙে জরাজীর্ণ, বৈদ্যুতিক পোল থাকলেও আলো নেই। তবে সবথেকে বড় সমস্যা যোগাযোগ ব্যবস্থা।

advertisement

আরও পড়ুন: প্রোমোটারদের জমি দখলের ছক রুখতে ঢাল মাছের চারা, হরিনদী বাঁচাতে অভিনব পদক্ষেপ! উঠেছে সংস্কারের দাবি

আজও এই গ্রামে পৌঁছানোর কোনও পাকা রাস্তা নেই। মূল সড়ক থেকে ফাঁকা মাঠ পেরিয়ে কয়েক কিলোমিটার হাঁটার পর একটি বাঁশের সাঁকো পার হয়ে তবেই গ্রামে পৌঁছাতে হয়। বর্ষাকালে সেই পথও বন্ধ হয়ে যায়। বন্যার সময় গ্রামবাসীদের ভরসা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নৌকা। এই চরম দুর্ভোগের কারণে ইতিমধ্যেই অনেকেই গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি দিয়েছেন। কিন্তু যাদের আর্থিক সামর্থ্য নেই, তাঁরা বাধ্য হয়েই থেকে গিয়েছেন এই অবহেলিত গ্রামেই। যদিও কেতুগ্রাম বিধানসভার এবারের তৃণমূল প্রার্থী সেখ শাহনওয়াজ বলেন, “যারা বলছে আমি গ্রামে যায়নি তারা ফালতু কথা বলছে।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
করলা নদীতে সোনা? মহারাষ্ট্র টু জলপাইগুড়ি, হাতড়ে যা বের করেন ওঁরা
আরও দেখুন

এবারেও প্রচারের সময় যাব। ওই গ্রামে উন্নয়ন হয়েছে, ভবিষ্যতে আরও করা হবে।” বিজেপি প্রার্থী মথুরা ঘোষ বলেন, “আমি নিজে ওই গ্রামে গিয়েছি। এবারেও ভোট প্রচারের সময় যাব।” গ্রামবাসীদের মনে জমে রয়েছে ক্ষোভ, আবার সেই সঙ্গে গভীর অভিমানও। চারপাশে উন্নয়নের আলো পৌঁছলেও তাদের গ্রাম কেন এখনও অন্ধকারেই পড়ে আছে, এই প্রশ্নের উত্তর আজও অজানা। তাঁদের কথায়, “ভোট আসে, ভোট যায়, কিন্তু আমাদের বিধানপল্লীর কোনও পরিবর্তন হয় না।” ভোটের সময় অন্তত প্রতিশ্রুতির আশ্বাসটুকুও যেখানে অন্যত্র মেলে, সেখানেও বঞ্চিত এই গ্রামের মানুষ। তাই আশা-ভরসা ছেড়ে অনেকেই ধরে নিয়েছেন, তাদের গ্রামের উন্নয়ন যেন আর কোনওদিনই হবে না।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
WB Assembly Election 2026: দেওয়াল লিখন তো দূর, নেতাদের ছায়াও দেখেননি কেউ! কেতুগ্রামের বিধানপল্লী যেন এক ভিনগ্রহের গ্রাম
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল