শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের প্রতিদিনের যাতায়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আতপুর ফেরিঘাট। গঙ্গা নদীর উপর নির্ভরশীল এই ঘাট দিয়ে হাজার হাজার মানুষ হুগলি ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মধ্যে যাতায়াত করে থাকেন। জগদ্দল বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত এই ব্যস্ত ফেরিঘাট দীর্ঘদিন ধরেই পরিকাঠামোগত সমস্যায় জর্জরিত ছিল। এতদিন যাত্রীদের ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতু ব্যবহার করে নৌকায় উঠতে ও নামতে হতো। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠত।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ভিকাহারের বাসিনী কালী মন্দিরে বাইরের আলোর প্রবেশ হয় না, ৬০০ বছর ধরে ভরসা প্রদীপ, দাবি স্থানীয়দের
নিত্যযাত্রীদের অভিযোগ, সামান্য অসতর্কতায় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হত। অবশেষে সেই চিত্র বদলাতে চলেছে। উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক এবং জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের উদ্যোগে বিষয়টি সরকারিভাবে গুরুত্ব পায়। তাঁদের প্রচেষ্টায় রাজ্যের জল পরিবহন দফতর আতপুর ফেরিঘাটের উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর আধুনিক পরিকাঠামো-সহ নতুন পল্টন জেটি নির্মাণ করা হয়। নতুন জেটি চালু হওয়ায় যাত্রীদের ওঠানামা এখন অনেক বেশি নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রতিদিন কর্মসূত্রে হুগলি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষের বড় সুবিধা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভাটপাড়া পুরসভার কাউন্সিলর বিপ্লব মালো বলেন, দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি নিরাপদ জেটির। অবশেষে তা বাস্তবায়িত হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে। এলাকাবাসীর মতে, এই উদ্যোগ শুধু একটি ঘাটের উন্নয়ন নয়, বরং দুই জেলার মধ্যে জলপথ যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি এনে দিল এই আতপুর ফেরিঘাট।





