বসিরহাট ১নং ব্লকের ইটিন্ডা-পানিতর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কৃষকদের নিয়ে শুরু হয়েছে এই সচেতনতা শিবির ও বীজ মেলা। মেলার মূল উদ্দেশ দেশীয় ফসলের বীজ ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করা এবং কৃষির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা। মেলার একাধিক স্টলে প্রদর্শিত হচ্ছে নানা ধরনের দেশীয় বীজ ও চাষের উপকরণ। জৈব পদ্ধতিতে চাষের গুরুত্ব বোঝাতে এই বীজ প্রদর্শনীতে বিভিন্ন জাতের দেশীয় বীজের সমাহার নজর কাড়ছে। রঙিন ও রকমারি ফল ও ফুলের বীজে সাজানো স্টল গুলিতে ভিড় করছেন এলাকার কৃষকরা।
advertisement
আরও পড়ুন: সুখের রাত কাটান মাত্র ১৫০০ টাকায়, একবার শুলে আর উঠতে মন চাইবে না! দেখলেই হামলে পড়ছে লোকে
এতে একদিকে যেমন কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে, তেমনই দেশীয় কৃষি ব্যবস্থার প্রতি নতুন করে আস্থা তৈরি হচ্ছে। মেলায় উপস্থিত বসিরহাট ১নং পঞ্চায়েত সমিতির মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ শরিফুল মণ্ডল জানান, প্রত্যন্ত গ্রামের বহু কৃষক এখনও দেশীয় বীজের গুরুত্ব সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন নন। এই ধরনের মেলার মাধ্যমে তাঁদের হাতে-কলমে বোঝানো হচ্ছে কীভাবে দেশীয় বীজ ব্যবহার করে কম খরচে ভাল ফলন পাওয়া সম্ভব। অন্যদিকে পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ উত্তম মণ্ডল বলেন, “অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে ভবিষ্যতে মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে বলে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাই কৃষকদের দেশীয় বীজ, জৈব সার ও প্রাচীন চাষপদ্ধতি, যেমন লাঙ্গল ও গরু ব্যবহার আবার ফিরিয়ে আনার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ফসলের উৎপাদন বাড়বে, তেমনই কৃষকদের আয়ও দ্বিগুণ হতে পারে।” সব মিলিয়ে এই বীজ মেলা শুধু কৃষকদের জন্য নয়, সমাজের সামগ্রিক সুরক্ষা ও সচেতনতার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আয়োজকরা। দেশীয় বীজ ও জৈব চাষ পদ্ধতি গ্রহণের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা, সুস্থ সমাজ গঠন এবং কৃষক পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা, এই তিন লক্ষ্যই পূরণ করা সম্ভব, এমনই আশা ব্যক্ত করা হয়েছে মেলা থেকে।





