রাজ্যপাল বলেন, হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ ঠাকুরের আদর্শ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ এবং সেই কারণেই তাঁদের বাণী শিক্ষাব্যবস্থায় আরও অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। এদিন ঠাকুরবাড়ি চত্বরে চলছিল মতুয়া মহা ধর্মমেলা, যেখানে বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়। রাজ্যপালের উপস্থিতিতে উৎসাহ লক্ষ্য করা যায় ভক্তদের মধ্যেও। নাটমন্দির পরিদর্শনও করেন তিনি। অন্যদিকে, এই সফর নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যপালের আগমনের বিষয়ে তাঁকে আগে থেকে জানানো হয়নি, তিনি বিষয়টি জানতে পারেন সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ সকালের এই ‘৩’ ভুল প্রাণঘাতী, লিভারের সাঙ্ঘাতিক ক্ষতি, সচেতন না হলে ১০০% পচিয়ে দেবে
আরও পড়ুনঃ তরমুজের অনেক গুণ! কিন্তু কারা মুখে তুললে ঝাঁঝরা হয়ে যায় শরীর? জানুন বিশেষজ্ঞের মত
পাশাপাশি তাঁর আরও দাবি, রাজ্যপাল ‘বড়মার ঘরে’ শ্রদ্ধা না জানিয়ে সরাসরি শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান। মমতাবালা ঠাকুর কটাক্ষ করে বলেন, ঠাকুরবাড়িতে যে কেউ এলে আমরা স্বাগত জানাই, রাজ্যপালকেও জানাচ্ছি। তবে তিনি বড়মার ঘরে গেলেন না, গুরুচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরেও পুজো দিলেন না। তিনি হয়তো জানেন না, ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হরিচাঁদ ঠাকুরের বাণী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং তাঁর জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা করেছেন। এখন তিনি রাজনীতি করার জন্যই এসেছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজ্যপালের এই ঠাকুরবাড়ি সফর ঘিরে তাই নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।





