এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে প্রচারে গিয়ে কখনও কীর্তন, কখনও আবার ভক্তিগীতি গেয়ে শোনাচ্ছেন অদিতি মুন্সি। তার এই সাংস্কৃতিক উপস্থাপনায় মুগ্ধ হচ্ছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ভোটাররা। অনেক ক্ষেত্রেই প্রচারসভা যেন রূপ নিচ্ছে ছোট্ট সাংস্কৃতিক আসরে, যেখানে শিল্পীকে কাছে পেয়ে নিজের পছন্দের গান শোনার আবদার জানাচ্ছেন উপস্থিত জনতা।
advertisement
স্থানীয়দের একাংশের মতে, রাজনৈতিক প্রচারের পাশাপাশি এই মানবিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ অদিতি মুন্সিকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। এতে ভোটারদের সঙ্গে তার দূরত্ব অনেকটাই কমেছে বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। অন্যদিকে, প্রচারে তিনি এলাকার উন্নয়নের বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন। রাস্তা, আলো, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও অন্যান্য পরিকাঠামোগত উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন মানুষের সামনে। সব মিলিয়ে, জনসংযোগ, উন্নয়নের বার্তা এবং শিল্পীসুলভ আবেদন এই ত্রিমুখী কৌশলেই রাজারহাট-গোপালপুরে নির্বাচনী ময়দান প্রতিপক্ষের জন্য কঠিন করে তুলেছেন অদিতি মুন্সি।
প্রার্থীর কথায়, “মানুষ জানেন, পাঁচ বছরে কী উন্নয়ন হয়েছে। তাই এলাকায় এলাকায় প্রচারে গিয়ে মানুষ ভালবাসা আশীর্বাদ দিচ্ছেন।” সবমিলিয়ে জনসংযোগ প্রচারে সদা হাস্যময়ী লাজুক স্বভাবের অদিতি যেন হয়ে উঠেছেন গোটা এলাকার ঘরের মেয়ে। এখন দেখার, তার এই ব্যতিক্রমী প্রচার কতটা প্রভাব ফেলে ভোটের ফলাফলে।
রুদ্র নারায়ণ রায়





