স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পরশুদিন থেকে তাপস রায়কে দেখা যাচ্ছিল না। প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলেও হঠাৎ করেই তাঁর অনুপস্থিতি নজরে আসে। এদিন এক প্রতিবেশী তাঁকে ফোন করলে ফোন বেজে গেলেও তিনি রিসিভ করেননি। সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি দক্ষিণ বিধান নগর থানায় জানানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বাড়ির দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। দোতলার বাথরুম থেকে উপুড় হয়ে পড়ে থাকা অবস্থায় মাথা ফাটা রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করা হয়।
advertisement
ইতিমধ্যেই দেহে পচন ধরেছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, তাপস রায়ের মেয়ে বিবাহের পর প্রথমে বেঙ্গালুরু এবং বর্তমানে দিল্লিতে থাকেন। স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকে তিনি সল্টলেকের ওই বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। প্রতিবেশীদের দাবি, কোথাও বাইরে গেলে তিনি সাধারণত জানিয়ে যেতেন। কিন্তু গত পরশুদিনের পর থেকে তাঁর সঙ্গে কারোর আর কথা হয়নি।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে অনুমান করছে, বয়সজনিত অসুস্থতার কারণে বাথরুমে পড়ে গিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত লেগে থাকতে পারে। ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলেই মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।






