জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের গুন্তু নামক একটি এলাকায় উৎপন্ন এই সুবিন কাপাস তুলো আনা হয়। এরপর হাতের সাহায্যে তুলো থেকে বীজ আলাদা করা হয়। বীজ ছাড়ানোর পর তুলো মেশিনে পেষাই করে নেওয়া হয়, তারপর চরকার মাধ্যমে তা থেকে সুতো তৈরি করা হয়। এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে একটি ১৫০ কাউন্টের চরকা এবং আরও উন্নত প্রযুক্তির একটি ৫০০ কাউন্টের চরকা। এই চরকাগুলিতেই অত্যন্ত সূক্ষ্ম মসলিনের সুতো তৈরি হয়।
advertisement
নবদ্বীপ মাটিয়ারিতে একাধিক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা মিলেই এই কাজ করছেন। বর্তমানে প্রায় ৪০ জন মহিলা সরাসরি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থেকে কাজ করছেন এবং নিজেদের রোজগারের পথ তৈরি করছেন। এছাড়াও যে সমস্ত মহিলাদের বাড়ি থেকে বের হতে অসুবিধা হয়, তাদের কথা মাথায় রেখে প্রায় ১৫ জন মহিলা বাড়িতেই বসে এই সংস্থার হয়ে সুতো তৈরির কাজ করছেন।
এই গোটা উদ্যোগটি খাদি ইন্ডিয়ার তত্ত্বাবধানে এবং খাদি ও গ্রামীণ শিল্প কমিশনের সরকারি অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। খাদি ইন্ডিয়ার সহযোগিতায় উৎপাদিত এই মসলিন সুতো ও পোশাক দেশীয় হস্তশিল্পের গৌরবকে নতুন করে তুলে ধরছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয়দের মতে, এই প্রকল্প একদিকে যেমন ঐতিহ্যবাহী মসলিন শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করছে, তেমনই অন্যদিকে গ্রামীণ মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক মহিলাকে এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।





