সভায় অংশগ্রহণকারীদের প্রাণী নৃশংসতার ইতিহাস ও তার ভয়াবহ প্রভাব সম্পর্কে অবহিত করা হয়। বক্তারা জানান, অমানবিক আচরণ কেবল প্রাণীদের ক্ষতি করে না, সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ও ডেকে আনে। এই প্রসঙ্গে প্রাণীদের প্রতি দয়া, সহমর্মিতা এবং আইনি সচেতনতার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের নৃশংসতা রোধ করা যায়।
advertisement
আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল, পথকুকুরদের নির্বীজকরণ কর্মসূচি। এই বিষয়ে প্রাণী কল্যাণ দফতর, বাঁকুড়া পৌরসভা এবং বাঁকুড়া জেলা পরিষদের মধ্যে একটি যৌথ আলোচনা হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, পরিকল্পিত ও মানবিক পদ্ধতিতে নির্বীজকরণ কর্মসূচি রূপায়ণ করলে পথকুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এদিন প্রাণী কল্যাণ বিভাগের জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সুজাতা মন্ডল স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “বাড়িতে পোষ্য এনে খেতে না দেওয়া, পথকুকুরের গায়ে গরম জল ছোড়া, পাথর মারা বা বিনা কারণে লাঠি দিয়ে মারধর – এই সবই আইন বিরুদ্ধ কাজ। ধরা পড়লে আইন তার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।” তাঁর এই বক্তব্য সভায় উপস্থিত সকলের মধ্যে আইন মানার পাশাপাশি প্রাণীদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের বার্তা আরও দৃঢ় করে তুলে ধরেছে।





