এগুলি বৃহৎ নদী নয়। কিন্তু আকারে ছোট হলেও এই অঞ্চলের জীবিকা ও পরিবেশের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। বর্তমানে এই নদীগুলির অধিকাংশ অংশ সারা বছর কচুরিপানায় ঢেকে থাকে। ফলে নদীর স্বাভাবিক স্রোত অনেকটাই কমে গিয়েছে এবং ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে নদীর নাব্যতা। বহু জায়গায় নদীর বড় অংশ প্রায় ভরাট হয়ে যাওয়ায় জলপ্রবাহ কার্যত বন্ধ হওয়ার মুখে দাঁড়িয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: মোচড় দিয়ে পেটে অসহ্য যন্ত্রণা, হাসপাতালে ছুটল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী! বেডে বসে লিখল উত্তর
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদী সংস্কার না হওয়া, অতিরিক্ত পলি জমা এবং কিছু জায়গায় অবৈধ দখলের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এক সময় যে নদীপথে নৌযান চলাচল করত, এখন সেখানে কচুরিপানার ঘন স্তর তৈরি হয়েছে। অনেক জায়গায় খালি চোখে বোঝাই কঠিন যে সেখানে আদৌ নদী আছে কি না। নদীগুলির জলধারণ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় বর্ষাকাল এলেই নতুন করে সমস্যার সৃষ্টি হয়। অল্প বৃষ্টিতেই নদীর জল দ্রুত উপচে পড়ে আশপাশের গ্রামাঞ্চলে ঢুকে পড়ে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
যার ফলে চাতরা, চারঘাট, রসুইপুরসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রতি বছর বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চাষের জমি, বসতবাড়ি এবং স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত নদীগুলি থেকে কচুরিপানা অপসারণ এবং নিয়মিত ড্রেজিং ও সংস্কারের ব্যবস্থা করতে হবে। নদীগুলি পুনরায় নাব্যতা ফিরে পেলে যেমন বন্যার সমস্যা অনেকটাই কমবে, তেমনি কৃষি ও পরিবেশের উপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।





