শান্তিপুর ব্লকের বেলঘড়িয়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতের চাঁপাতলা এলাকায় আনুমানিক পনেরো বিঘে জমিতেই, রামমন্দির গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই উপলক্ষে কখনও অযোধ্যা মন্দিরে গিয়ে এই পুণ্যভূমির মৃত্তিকা বিনিময়, কখনও শ্রীরামচন্দ্রের পাদুকা নিয়ে এসে শান্তিপুরের বিভিন্ন বিগ্রহ বাড়িতে রেখে পুজো এবং শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তবে এদিন ভক্তি, বিশ্বাস এবং আবেগের বাস্তবায়ন ধরা পড়ল পূর্ণতায়। প্রায় নিঃশব্দেই, কবি কৃত্তিবাসের পান্ডুলিপি দীর্ঘদিন ধরে ফ্রান্সে থাকার পর এবার রামমন্দির নির্মাণের সূচনা লগ্নে পুজো হয়ে স্থান পাবে কৃত্তিবাস লাইব্রেরিতে। দক্ষিণে ভাগীরথীর সেই সুবিস্তৃত জমিতেই হলো ভূমি পূজন। যেখানে নবদ্বীপ-সহ সারা বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এবং স্থানীয় মোট ১০৮ জন ব্রাহ্মণ ঊষা লগ্ন থেকে সংকল্প বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ, গীতাপাঠ, ভূমি পূজন যজ্ঞ-সহ নানা ধর্মীয় আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সমস্ত আগত এবং স্থানীয় ভক্তরা মধ্যাহ্নভোজন করেন।
advertisement
সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা যায়, এই রামমন্দির নির্মাণে পুরীর শংকরাচার্য এবং তামিলনাড়ুর কাঞ্চির শংকরাচার্যর আশীর্বাদ পূর্বে প্রাপ্ত হলেও নির্বাচনী বিধি নিষেধের কারণে এদিনের ভূমি পুজনের অনুষ্ঠানে তাঁরা আসতে পারেননি। রাম মন্দির ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আনুমানিক প্রায় তিন বিঘে জমির উপরে মূল মন্দির শুরু করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের ঠিকাদার সংগঠন এনবিসিসি লিমিটেডের মাধ্যমে।
আরও পড়ুন : ‘আইসক্রিমের রাজধানী’ বলা হয় ভারতের কোন শহরকে? আপনি যা ভাবছেন সেটা মোটেও নয়! এক ক্লিকে জানুন সঠিক উত্তর!
সকাল থেকেই এই উপলক্ষে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড় লক্ষ করা যায়। এই উপলক্ষে প্রভাতফেরিএবং নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তাঁরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, অন্যান্য নানা হিন্দু ধর্মীয় সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।





