কম জল ও কম খরচে বেশি লাভের আশায় ধান ও আলুর বিকল্প হিসেবে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার চাষিরা ভুট্টা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছে। বালুরঘাট, তপন, কুমারগঞ্জ-সহ জেলার বিভিন্ন ব্লকে হাইব্রিড জাতের ভুট্টা চাষ হচ্ছে। ধান বা আলুর তুলনায় ভুট্টা চাষে সেচ ও সার কম লাগে। অথচ উৎপাদন বেশি। যার ফলে লাভের মুখ দেখতে পায় চাষিরা।
advertisement
বায়ু চলাচলে সক্ষম এমন হালকা বেলে, দোঁয়াশ এবং কাদা দোঁয়াশ মাটিতে ভুট্টা চাষ ভাল হয়। সারা বছরই প্রায় ভুট্টা চাষ করা যায়। তবে উর্বর দোঁয়াশ পলিমাটিতে ভুট্টা ফলন সর্বাধিক পাওয়া যায়। সঠিক সেচ ও সার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অল্প সময়েই ফসল ঘরে তোলা সম্ভব।
সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে একর প্রতি জমি থেকে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ কুইন্টাল ফলন পাওয়া সম্ভব। অনেক ক্ষেত্রে এক একর জমি থেকেই ৪ টন পর্যন্ত ভুট্টা উৎপাদন হয়। ফলে প্রতি বিঘা জমিতে চাষের খরচ বাদ দিয়ে কৃষকের প্রায় ২৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত মুনাফা করতে পারেন। এছাড়া একর প্রতি মোট আয় গড়ে ৭৭,০০০ থেকে ৮৮,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
কম খরচ, শূন্য ঝুঁকি ও বেশি ফলনের আশায় দক্ষিণ দিনাজপুরে জেলার বালুরঘাট, গঙ্গারামপুর, কুশমণ্ডি ও বংশীহারীর মতো ব্লকগুলোতে কৃষকরা এখন ধান ও আলুর অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ভুট্টার দিকে ঝুঁকছেন।
