দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে প্রার্থীর সমর্থনে বিভিন্ন স্লোগান তুলে ধরা হয়। “রান্নাঘরে কাঁদছে মা, এই বিজেপি আর না” এই ধরনের বার্তাই প্রাধান্য পায় প্রচারে। অংশগ্রহণকারী মহিলারা জানান, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প যেমন ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা এবং বিনামূল্যে রেশনের চাল পেলেও, রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে বড় প্রভাব ফেলেছে। গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহের সমস্যায় তারা চরম অসুবিধার মধ্যে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
advertisement
সকালে ফুটিয়ে রাখা দুধ বিকেলেই টক হয়ে যাচ্ছে? ফোটানোর সময় মেশান এই সাদা গুঁড়ো! অনেকক্ষণ তাজা থাকবে
গয়েশপুর নমঃশূদ্র উদ্বাস্তু সেলের সহ-সভানেত্রী অরমিতা সরকার জানান, ২০২১ সালের নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হলেও, এলাকার সাধারণ মানুষ সেই বিধায়কের উপস্থিতি বা কাজের প্রভাব তেমনভাবে অনুভব করতে পারেননি। ফলে এবারের নির্বাচনে পরিবর্তনের ডাক দিচ্ছেন তারা। তাদের কথায়, “গতবার ভুল হয়েছে, এবার আমরা নিজেরাই ঠিক সিদ্ধান্ত নেব।”
এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গয়েশপুর নমঃশূদ্র উদ্বাস্তু সেলের সহ-সভানেত্রী অরমিতা সরকার সহ অন্যান্য নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্বরা। তারা মহিলা কর্মীদের উৎসাহিত করেন এবং বাড়ি বাড়ি পৌঁছে প্রচার জোরদার করার আহ্বান জানান।
তৃণমূল কর্মীদের দাবি, সাধারণ মানুষের সমস্যা ও চাহিদাকে সামনে রেখেই এবারের নির্বাচনী প্রচার চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে মহিলাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোই তাঁদের মূল লক্ষ্য। ঘরের কাজ সামলেও যেভাবে মহিলারা রাস্তায় নেমে প্রচারে সামিল হয়েছেন, তা আগামী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।





