advertisement

ইংরেজবাজারে বিজেপির বড় 'চাল'...! বিধায়ক সরিয়ে প্রার্থী নতুন মুখ, জয়ী আসনেও প্রার্থী বদল

Last Updated:
West Bengal Assembly Election 2026: মালদহ জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ইংরেজবাজার। গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই আসন থেকে বিজেপির টিকিটে ২০,০৯৯ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। শুধু তাই নয়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও এই বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রায় ৯০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল। পাশাপাশি, এই কেন্দ্রে ১,৩৪,২২২ ভোটের লিড এনে দলকে শক্ত অবস্থানে রেখেছিলেন।
1/6
জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। দলীয় বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত টিকিট পেলেন না শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। পরিবর্তে এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিজেপি প্রার্থী করা হয়েছে ইংরেজবাজার পৌরসভার বিরোধী দলনেতা তথা আইনজীবী অম্লান ভাদুড়িকে।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। দলীয় বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত টিকিট পেলেন না শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। পরিবর্তে এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিজেপি প্রার্থী করা হয়েছে ইংরেজবাজার পৌরসভার বিরোধী দলনেতা তথা আইনজীবী অম্লান ভাদুড়িকে।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
2/6
মালদহ জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ইংরেজবাজার। গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই আসন থেকে বিজেপির টিকিটে ২০,০৯৯ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। শুধু তাই নয়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও এই বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রায় ৯০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল। পাশাপাশি, এই কেন্দ্রে ১,৩৪,২২২ ভোটের লিড এনে দলকে শক্ত অবস্থানে রেখেছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
মালদহ জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ইংরেজবাজার। গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই আসন থেকে বিজেপির টিকিটে ২০,০৯৯ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। শুধু তাই নয়, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও এই বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রায় ৯০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল। পাশাপাশি, এই কেন্দ্রে ১,৩৪,২২২ ভোটের লিড এনে দলকে শক্ত অবস্থানে রেখেছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
3/6
এই পরিস্থিতিতে ইংরেজবাজারে বিজেপির জয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে দলীয় অন্দরে একাধিক দাবিদার থাকায় দেরি হচ্ছিল বলে সূত্রের খবর। প্রার্থীর দৌড়ে ছিলেন বর্তমান বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী ছাড়াও অম্লান ভাদুড়ি, বিষ্ণুপদ রায়-সহ একাধিক নেতা। এমনকি দ্বন্দ্ব মেটাতে সঙ্ঘ পরিবারের কাউকে প্রার্থী করা হতে পারে বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছিল।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
এই পরিস্থিতিতে ইংরেজবাজারে বিজেপির জয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে দলীয় অন্দরে একাধিক দাবিদার থাকায় দেরি হচ্ছিল বলে সূত্রের খবর। প্রার্থীর দৌড়ে ছিলেন বর্তমান বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী ছাড়াও অম্লান ভাদুড়ি, বিষ্ণুপদ রায়-সহ একাধিক নেতা। এমনকি দ্বন্দ্ব মেটাতে সঙ্ঘ পরিবারের কাউকে প্রার্থী করা হতে পারে বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছিল।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
4/6
অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অম্লান ভাদুড়ির নাম ঘোষণা করা হয়। প্রার্থীর নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। বাজি ফাটিয়ে, স্লোগান তুলে এবং ফুলের মালা পরিয়ে নতুন প্রার্থীকে বরণ করে নেন কর্মী সমর্থকরা।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অম্লান ভাদুড়ির নাম ঘোষণা করা হয়। প্রার্থীর নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। বাজি ফাটিয়ে, স্লোগান তুলে এবং ফুলের মালা পরিয়ে নতুন প্রার্থীকে বরণ করে নেন কর্মী সমর্থকরা।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
5/6
প্রার্থী ঘোষণার পর অম্লান ভাদুড়ি বলেন, “গত পাঁচ বছরে তৃণমূল পরিচালিত সরকার আমাদের দলের বিধায়ককে সেভাবে কাজ করতে দেয়নি। এবার পৌরসভার অনুন্নয়ন, দুর্নীতি এবং পরিবর্তনের ইস্যুতেই নির্বাচন হবে।” তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন করে চর্চা।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
প্রার্থী ঘোষণার পর অম্লান ভাদুড়ি বলেন, “গত পাঁচ বছরে তৃণমূল পরিচালিত সরকার আমাদের দলের বিধায়ককে সেভাবে কাজ করতে দেয়নি। এবার পৌরসভার অনুন্নয়ন, দুর্নীতি এবং পরিবর্তনের ইস্যুতেই নির্বাচন হবে।” তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন করে চর্চা।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
6/6
এদিকে, বিধায়ককে টিকিট না দেওয়ায় বিজেপির অন্দরে কোনও প্রভাব পড়ে কি না, সেদিকেও নজর রাজনৈতিক মহলের। ইতিমধ্যে রাজনৈতিক বড় দলগুলির প্রার্থীর প্রচার শুরু হয়েছে। এতদিন মাঠে দেখা যাচ্ছিল তৃণমূল, সিপিআইএম প্রার্থীদের। যদিও এখনও নাম ঘোষণা বাকি কংগ্রেসের। তবে এই নাম ঘোষনার পর চতুর্মুখী লড়াইয়ের দিকে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে এবার লড়াই যে আরও জমজমাট হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
এদিকে, বিধায়ককে টিকিট না দেওয়ায় বিজেপির অন্দরে কোনও প্রভাব পড়ে কি না, সেদিকেও নজর রাজনৈতিক মহলের। ইতিমধ্যে রাজনৈতিক বড় দলগুলির প্রার্থীর প্রচার শুরু হয়েছে। এতদিন মাঠে দেখা যাচ্ছিল তৃণমূল, সিপিআইএম প্রার্থীদের। যদিও এখনও নাম ঘোষণা বাকি কংগ্রেসের। তবে এই নাম ঘোষনার পর চতুর্মুখী লড়াইয়ের দিকে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে এবার লড়াই যে আরও জমজমাট হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
advertisement
advertisement