এই পাঁচটি রাস্তার মধ্যে চারটি রাস্তা বাবলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অন্তর্গত। দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় বাসিন্দারা এই রাস্তাগুলির দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এছাড়াও একটি রাস্তা তৈরি হবে হরিপুর অঞ্চলে। ওই এলাকায় বিস্তীর্ণ আমবাগান রয়েছে। ফলে কৃষকদের উৎপাদিত আম দ্রুত বাজারে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই রাস্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল উৎপাদন ক্ষেত্র থেকে সরাসরি বাজার পর্যন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করা। আমের মরশুমে বাগান থেকে ক্যারটে করে আম বাজারে নিয়ে যেতে যাতে কৃষকদের কোনও সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়, সেদিকেই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন রাস্তা তৈরি হলে পরিবহণ ব্যবস্থা আরও দ্রুত ও মসৃণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
advertisement
এবিষয়ে শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজ্য কিশোর গোস্বামী জানান, বিধানসভায় তিনি বারবার এই বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন। শান্তিপুরে আম উৎপাদন একটি বড় অর্থনৈতিক বিষয় এবং খুব শীঘ্রই আমের মরশুম শুরু হতে চলেছে। তাই মরশুম শুরুর আগেই যাতে রাস্তা নির্মাণ করা যায়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
প্রকল্প অনুযায়ী, হরিপুর অঞ্চলের রাস্তা নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪২ লক্ষ টাকা। এছাড়া বাবলা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বিবেকানন্দনগর সংলগ্ন একটি রাস্তা নির্মাণে প্রায় ১১ লক্ষ টাকা ব্যয় হবে। বিবেকানন্দনগরের পাশেই আরও একটি রাস্তা নির্মাণে প্রায় ১১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এছাড়াও দক্ষিণ কায়েতপাড়া এলাকায় একটি রাস্তা নির্মাণে প্রায় সাত লক্ষ টাকা এবং আরও একটি রাস্তা নির্মাণে প্রায় ছয় লক্ষ টাকা ব্যয় করা হবে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই পাঁচটি রাস্তা নির্মাণ করা হবে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শান্তিপুরে এই দফতরের অধীনে আগে কখনও রাস্তা নির্মাণ হয়নি। এতদিন সাধারণত জনবসতিপূর্ণ এলাকায় মানুষের সুবিধার্থে রাস্তা তৈরি বা মেরামতের কাজ করা হতো। তবে এবার কৃষি ও বিশেষ করে আম চাষকে গুরুত্ব দিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা এলাকার কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।





