এর পাশাপাশি শ্রী রামচন্দ্রের পাদুকাও অযোধ্যা থেকে আনা হয় শান্তিপুরে। এই পাদুকাকে ঘিরেই এদিনের মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে শান্তিপুরের ঐতিহ্যবাহী বড় গোস্বামী বাড়িতে বৈদিক রীতিনীতি মেনে পাদুকার পূজা-অর্চনা করা হয়। এরপর শুরু হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, যা শহরের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
আরও পড়ুন : নতুন বাড়ি! নয়া গাড়ি! বিদেশভ্রমণ! রাত পোহালেই চৈত্র অমাবস্যায় সৌভাগ্যের শিরোমণি এই ৪ রাশি
advertisement
নগর পরিক্রমায় অংশ নেন অসংখ্য ভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দারা। ভক্তিমূলক গান, ঢাক-ঢোল এবং শঙ্খধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। শোভাযাত্রাটি শেষে পৌঁছায় শান্তিপুরের শ্রী শ্রী গোকুলচাঁদ জীউ মন্দিরে। সেখানে পুনরায় পুজো-অর্চনা সম্পন্ন হয় এবং সন্ধ্যারতির মাধ্যমে শ্রী রামচন্দ্রের পাদুকাযুগল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগ কৃত্তিবাসের জন্মভূমিতে রামমন্দির নির্মাণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর ধর্মীয় আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।





