১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই কেন্দ্রটি। প্রথমে এর নাম ছিল ‘বড়ঞা–খড়গ্রাম’। ১৯৬২ সালের নির্বাচনের আগে ‘খড়গ্রাম’ আবার তৈরি করা হয়। এই কেন্দ্রের অন্দরে রয়েছে খড়গ্রাম কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ব্লকের পুরোটা। পাশাপাশি বড়ঞা ব্লকের কল্যাণপুর–১ ও কল্যাণপুর–২ গ্রাম পঞ্চায়েতও এরই অংশ। ১৯৭৭ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত টানা সাতবার সিপিআই(এম) এই আসনে জয়ী হয়। সেই সময় রাজ্যে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় ছিল। এই আসনে কংগ্রেস পাঁচবার জিতেছে, যার মধ্যে ১৯৫১ সালের দুইটি আসনও রয়েছে। ২০২১ সালে তৃণমূল এই আসনে জয় পেয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: ফ্রিজারে বরফের পাহাড়…? এই ‘১০ মিনিটের’ তুক শিখে নিন, নিমেষে গলিয়ে দেবে ইটের মতো শক্ত বরফ!
২০২৪ সালে খড়গ্রামে মোট নথিভুক্ত ভোটার ছিলেন ২,৪২,০৭৩ জন। এই সংখ্যা ২০২১ সালে ছিল ২,২৮,৯২৩, ২০১৯ সালে ২,১৮,২৯১, ২০১৬ সালে ২,০৪,১০৩ এবং ২০১১ সালে ১,৭২,৯৬১। যদিও আসনটি তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত এবং এই শ্রেণির ভোটারদের হার ২২.০৬ শতাংশ। তবুও এখানে সংখ্যালঘু ভোটার এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাদের সংখ্যা ৫০.৩০ শতাংশ। তফসিলি উপজাতির (ST) ভোটার সংখ্যা মাত্র ১.২০ শতাংশ।
এখানে বাসিন্দাদের প্রধান জীবিকা কৃষি। ধান মূল ফসল। পাশাপাশি রেশম চাষ থেকে গম, তেলবীজ, ডাল, পাট ও সবজিও ভাল চাষ হয়। এখানে ছোট চালকল, ইটভাটা, দোকান ও গ্রামীণ হাট হয়। এখনকার একটা বড় অংশের মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক।
তৃণমূল প্রার্থী আশিস মার্জিত জানিয়েছেন, বিগত পাঁচ বছরে যা উন্নয়ন করা হয়েছে তাই মানুষের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে। বিজেপির প্রার্থী মিতালি মালের অবশ্য দাবি, মোদিজির উন্নয়ন এবার খড়গ্রামে পদ্ম ফুল ফুটবেই। তবে লড়াই দিয়ে মাটি কামড়ে পড়ে আছেন সিপিআইএম প্রার্থী ধ্রুবজ্যোতি সাহা ।তার দাবি, খড়গ্রাম এখনও বঞ্চিত। তাই মানুষের ভরসা এখন বামেরা। যদিও চতুর্মুখী লড়াই ভোট প্রচার তুঙ্গে খড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে।
কৌশিক অধিকারী





