এরপর থেকে পণ্য আনা-নেওয়া হত সড়ক ও রেলপথে। এতে উভয় দেশের পণ্য পরিবহন খরচ বেশি হত। জানা যায়, সুলতানগঞ্জ নৌবন্দরের মাধ্যমে লালগোলা থেকে পণ্য আমদানিতে সময় ও খরচ দুটোই কমবে বলেই আশাবাদী ছিল কেন্দ্র। এতে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন বলেই আশা ছিল অনেকের। কিন্তু বাস্তবে আর চালু হল না এই বন্দর পরিষেবা। সীমান্তবর্তী লালগোলায় শিল্প না হলেও এই বন্দরের ওপর তাকিয়ে ছিলেন অনেকেই।
advertisement
বাংলাদেশের রাজশাহী থেকে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান পর্যন্ত ৭৮ কিলোমিটার একটি নৌপথের অনুমোদন থাকলেও পদ্মার নাব্যতা সংকটের কারণে কার্যকর করা যায়নি। ফলে রুটটি সুলতানগঞ্জ থেকে ময়া নৌবন্দর পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত করা হয়। আড়াআড়িভাবে ২০ কিলোমিটার পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে পণ্য আনা-নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। শুরুতে এই নৌপথে ভারত থেকে পাথর, বালি ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কিন্তু উদ্বোধনের এক বছরের বেশি সময় অতিক্রম হয়ে গেলেও আজও চালু হয়নি। ফলে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে বলে আশা থাকলেও, তা বাস্তবে রুপ না পেতে আক্ষেপের সুর সকলের গলায়। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনে ক্ষমতায় যে দলই ক্ষমতায় আসুন না কেন, সেই সরকার যেন এই বন্দর চালুর ব্যাপারে উদ্যোগী হয়, এটাই স্ছানীয়দের দাবি। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এ নৌবন্দর চালুর হলে বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।





