আর নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী করল পবিত্র করকে। যিনি মঙ্গলবারই বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফেরেন। আর তৃণমূলে ফিরেই ভোটে শুভেন্দুর প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন পবিত্র। শুভেন্দুর সঙ্গী যে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন, মাস তিনেক আগেই তা নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনায় সিলমোহর পড়ল। আর তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে কী বললেন পবিত্র কর? বিপক্ষে তো শুভেন্দু অধিকারী!
advertisement
যদিও শুভেন্দুকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি পবিত্র। তিনি বলেন, ”বিপক্ষে কে আছে জানি না, জানার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমি আমার কাজ করব, আমার মানুষজন যেভাবে আমাকে ভালোবাসে, তাতে আমিই জিতব। উনি (শুভেন্দু অধিকারী) সর্বভারতীয় রাজনীতি করেন, রাজ্য রাজনীতি করেন, আমি কিন্তু নন্দীগ্রামের রাজনীতি করি।” যদিও নন্দীগ্রামের আরেক তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান বলেন, ”পবিত্র কর এলে তৃণমূল জিতবে, না হলে জিতবে না, তা নয়। তবে, বাড়তি পাওনা পবিত্র কর তৃণমূলে এসেছেন। তাঁর কর্মীবল আছে, তাঁকে স্বাগত।”
নন্দীগ্রামে বড় চমক দিয়েছে তৃণমূল। শুভেন্দু অধিকারীর মতো হেভিওয়েট প্রার্থীর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী করেছে তাঁরই ‘বন্ধু’ পবিত্র করকে। নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহল জানে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর জয়ের পিছনে পবিত্রর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। সেই পবিত্রকেই নন্দীগ্রামে খোদ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে প্রার্থী করে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। নন্দীগ্রামে বড় চমক দিয়েছে তৃণমূল। শুভেন্দু অধিকারীর মতো হেভিওয়েট প্রার্থীর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী করেছে তাঁরই ‘বন্ধু’ পবিত্র করকে। নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহল জানে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর জয়ের পিছনে পবিত্রর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। সেই পবিত্রকেই নন্দীগ্রামে খোদ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে প্রার্থী করে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা।
এ প্রসঙ্গে প্রথমেই বলে রাখা যাক, সাম্প্রতিক কালে শুভেন্দু অধিকারী যে হিন্দুত্বের রাজনীতি করছেন, পবিত্র করও সেই কট্টর হিন্দুত্বের রাজনীতিই করে এসেছেন এত কাল। নন্দীগ্রামের বিজেপি কর্মীরাও বলেন, পবিত্রর সংগঠন চালানোর দারুণ দক্ষতা আছে। জানা যায়, ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে যে স্ট্র্যাটেজি নেওয়া হয়েছিল,তার অন্যতম কারিগর ছিলেন এই পবিত্র করই।
শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন পবিত্র। তমলুক সাংগঠনিক জেলায় বিজেপি সহ সভাপতি ছিলেন। গেরুয়া শিবিরে বড়সড় ভাঙন ধরিয়ে সেই পবিত্র এখন তৃণমূলে। তাও আবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে প্রার্থী। অতীতে অবশ্য পবিত্র তৃণমূল কংগ্রেসেই ছিলেন। ২০২০ সালে যখন শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি-তে যোগ দেন, তার কিছুদিন পরেই পবিত্রও বিজেপি-তে চলে যান। শুভেন্দু অধিকারীকে ২০২১ সালে মমতার বিরুদ্ধে জিততেও সাহায্য করেন। বিজেপি-তে গিয়ে কট্টর হিন্দুত্বের রাজনীতি শুরু করেন। নিজের একটি সংগঠন গড়েছিলেন, তার নাম সনাতনী সেনা। হিন্দুভোট একত্রিত করে শুভেন্দুকে জিতিয়ে দেওয়ার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ছিলেন তিনিই।
