রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে তার এই বিশেষ সম্মান প্রাপ্তি গোটা সীমান্ত এলাকার মানুষকে গর্বিত করেছে। প্রায় ৩৫ বছর ধরে মতুয়া দর্শন ও আদর্শ প্রচারে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন মৃণালবাবু। শুধু মতাদর্শ প্রচারই নয়, সমাজসেবামূলক নানা কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয়। হরি-গুরুচাঁদের শিক্ষা নীতিকে সামনে রেখে এলাকার দুস্থ ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে নিয়মিত বিনামূল্যে বই বিতরণ করেন তিনি।
advertisement
শিক্ষার প্রসারে একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি ইতিমধ্যেই তিনি একটি দাতব্য চিকিৎসালয় গড়ে তুলেছেন, যেখানে সাধারণ মানুষ স্বল্প ব্যয়ে চিকিৎসা পরিষেবা পাচ্ছেন। হরিচাঁদ ঠাকুরের নীতি ও দর্শনের উপর প্রায় দশটি গ্রন্থ রচনা করেছেন এই বিশিষ্ট সমাজকর্মী।
এর আগে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার তরফে সম্মানিত হলেও সরকারি স্তরে এই প্রথম বড় স্বীকৃতি পেলেন বলে জানান তিনি। সম্মান পাওয়ার পর মৃণাল কান্তি বিশ্বাস বলেন, মানুষ পুরস্কারের আশায় কাজ করে না। আমিও কোনদিন পুরস্কারের আশায় কাজ করিনি। ঠাকুরের নীতি ও আদর্শকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াই মূল লক্ষ্য।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
একইসঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই সম্মান তাঁর দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। সীমান্ত শহরের এই গুণী ব্যক্তির সাফল্যে খুশির হাওয়া বইছে গোটা এলাকায়। বহু মানুষ তাঁর বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি পেয়ে আপ্লুত মৃণালবাবু, আর গর্বিত সীমান্তবাসী।





