উক্ত সংস্থার ডিরেক্টর স্বরূপ কর্মকার জানান, শান্তিপুরের ঘোড়ালিয়া, বাথনা, থানার মোড় সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার মোট ২০ জন মহিলাকে এই প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মূল লক্ষ্য, পাটজাত সামগ্রী তৈরি করে তাঁদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা।
advertisement
আইসিএআর-এনআইএনএফইটি কলেজের বিশেষজ্ঞরা এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করছেন। প্রথম ৩ দিনে অংশগ্রহণকারীদের শেখানো হচ্ছে কীভাবে সাধারণ চট বা পাটকে রঙিন ও শক্ত করে বিভিন্ন পণ্য তৈরির উপযোগী করা যায়। পরবর্তী ১০ দিনে পাট দিয়ে ঘর সাজানোর নানা শৌখিন সামগ্রী ও মহিলাদের বিভিন্ন ধরনের অলংকার তৈরির কৌশল হাতেকলমে শেখানো হচ্ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের উদ্যোগে জুট পণ্য তৈরি ও বাজারজাত করতে সক্ষম হবেন। প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ হলে প্রত্যেককে শংসাপত্র প্রদান করা হবে এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। পাশাপাশি প্রশিক্ষণকালীন প্রতিদিন প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে ২৫০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হচ্ছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ মহিলাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি ও পাটশিল্পের প্রসারে জোর দেওয়াই মূল লক্ষ্য।





