TRENDING:

Money Making Ideas: ফেলে দেওয়া জিনিসেই আয়ের দিশা! নারকেল ছোবড়া দিয়ে এইসব বানিয়ে হাতে আসছে টাকা, পথ দেখাচ্ছে নন্দকুমার

Last Updated:

Money Making Ideas: নারকেল গাছের ফল থেকে পাতা, সব কিছুই কাজে লাগে। সেই নারকেলের ছোবড়া দিয়েই নন্দকুমারের বিভিন্ন এলাকায় নানা অনুসারী শিল্প গড়ে উঠেছে। সেখান থেকেই 'এইসব' জিনিস বানিয়ে উপার্জন করছেন অনেকে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
নন্দকুমার, সৈকত শীঃ পূর্ব মেদিনীপুর উপকূলবর্তী জেলা। এখানে প্রচুর পরিমাণে নারকেল গাছ দেখা যায়। গ্রামবাংলায় সেই গাছকে ‘গৃহস্থের বন্ধু’ বলে সম্বোধন করা হয়। কারণ নারকেল গাছের ফল, পাতা সবকিছুই মানুষের নিত্য ব্যবহারে লাগে। এমনকি নারকেল ছোবড়াও বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারের পিয়াদা কোলসর সহ বিভিন্ন এলাকায় যেমন নারকেলের ছোবড়া দিয়েই অনুসারী শিল্প গড়ে উঠেছে। মূলত কোকোপিট ও গদি তৈরির কাজে লাগছে এই জিনিস।
advertisement

গ্রামবাংলায় জ্বালানির কাজে লাগে নারকেল ছোবড়া। নারকেলের উপরি ভাগের ছোবড়া তুলে নিয়ে প্রথমে মেশিনে মাড়ানো হয়। সেখান থেকে তুলোর মতো অংশ গদি তৈরির কারখানায় যায়। অন্যদিকে কোকোপিট তৈরিতে কাজে লাগে গুঁড়ো।

আরও পড়ুনঃ বিপদের মুখে বীরভূমের সবুজ সম্পদ! বসন্তের শুরুতেই একের পর এক বনাঞ্চলে ভয়াবহ ঘটনা, বাড়ছে উদ্বেগ

advertisement

বর্তমান সময়ে কোকোপিটের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। বাড়ির সামনে বা ছাদে বাগান করার শখ দেখা যায়। এই বাগান পুরোটাই টবের মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে। ফলে দিন দিন বাড়ছে কোকোপিটের চাহিদা। এখন নন্দকুমার থেকে বর্ধমান, শিলিগুড়ি সহ রাজ্যের বিভিন্ন শহরের পাশাপাশি ওড়িশা রাজ্যে কোকোপিট যাচ্ছে। সেই সঙ্গেই নারকেল ছোবড়া থেকে প্রসেস হওয়া তুলো চলে যাচ্ছে গদি তৈরির কারখানায়। সব মিলিয়ে, নারকেল ছোবড়ার চাহিদা তুঙ্গে।

advertisement

View More

এই বিষয়ে এক নারকেল ছোবড়া কারখানার মালিক জানান, “নারকেল ছোবড়া থেকে প্রায় ৩০ বছর ধরে কোকোপিট ও গদি তৈরির উপকরণ বানাচ্ছি। বর্তমানে কোকোপিটের চাহিদা আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। শিলিগুড়ি, বর্ধমান সহ ওড়িশার বাজারে কোকোপিট পাঠানো হয়। এর পাশাপাশি গদি তৈরির প্রধান উপকরণ রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে যাচ্ছে। মূলত কারখানায় গ্রামের মহিলারা কাজ করেন। দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ হয়। তবে বর্তমানে ডাবের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় নারকেল কম হচ্ছে। ফলে নারকেল ছোবড়ার গুণগত মান কমেছে। তাই আমরা কিছুটা সমস্যায় পড়েছি।”

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
ফেলে দেওয়া জিনিসেই আয়ের দিশা! নারকেল ছোবড়া দিয়ে এইসব বানিয়ে হাতে আসছে টাকা
আরও দেখুন

বর্তমানে নারকেলের থেকে ডাবের চাহিদা বেশি। সেই কারণে উন্নত মানের ছোবড়া পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে নন্দকুমার এলাকায় এই ছোবড়া কারখানাগুলি একপ্রকার কোনও রকমে চলছে। তবে এখানেই এক ব্যক্তি প্রায় ৩০ বছর ধরে নারকেল ছোবড়ার কারখানা চালিয়ে যাচ্ছেন। এখান থেকে গদি তৈরির জন্য ছোবড়া এবং কোকোপিট রাজ্য থেকে দেশের বাজারে যাচ্ছে। তাতে রুজি রোজকার হচ্ছে এলাকার গ্রাম্য মহিলাদের।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Money Making Ideas: ফেলে দেওয়া জিনিসেই আয়ের দিশা! নারকেল ছোবড়া দিয়ে এইসব বানিয়ে হাতে আসছে টাকা, পথ দেখাচ্ছে নন্দকুমার
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল