স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রায় এক যুগ আগে অর্থাৎ ২০১২ সালে হলদিয়া পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডে রায়রাচকের উত্তর পল্লীতে হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের তরফে প্রায় ছয় একর জমি দেওয়া হয় ইএসআই কর্তৃপক্ষকে। ইএসআই কর্তৃপক্ষ এবং হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের মধ্যে জমি হস্তান্তর ব্যাপারে চুক্তি হয়। সিদ্ধান্ত হয় ৫০ শয্যার ইএসআই কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল তৈরি করবে। এছাড়াও থাকবে বহির্বিভাগ এবং ডায়াগনস্টিক বিভাগ। চুক্তির প্রায় আট বছর পর অর্থাৎ ২০২০ সালে কাজ শুরু হয়। বাধ সাধে করোনা। ২০২২ সালে মোটামুটি হাসপাতালের কাজ ৯০ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়ে যায়।
advertisement
আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মৃত ২ লেপার্ড, রায়মাটাং চা বাগানে তীব্র আতঙ্ক! কারণ নিয়ে ধন্দে বন দফতর-স্থানীয়রা
হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকাতে তৈরি হয় চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য আবাসন। রাঁচির একটি বেসরকারি সংস্থা হাসপাতাল তৈরি করার জন্য কাজের বরাত পায়। এলাকায় গিয়ে দেখা যায় বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তারক্ষীর দাবি, কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও পর্যন্ত হাসপাতালের দায়িত্বভার নিতে চাইছে না। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে উদ্বোধনের দিনক্ষণ স্থির হলেও পরে কোনও এক রহস্যজনক কারণে হাসপাতাল উদ্বোধন হয়নি। তারপরও এক বছর কেটে গেলেও ইএসআই কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল চালু করার কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেননি এমনটাই অভিযোগ শ্রমিকদের একাংশের। রীতিমতো সমস্যাতে পড়ছেন শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শ্রমিকদের একাংশের অভিযোগ, হলদিয়াতে বর্তমানে ইএসআই চিকিৎসা করার জন্য কোনও বেসরকারি হাসপাতাল কিংবা নার্সিংহোমের সঙ্গে চুক্তি করেনি ইএসআই কর্তৃপক্ষ। যেসব নার্সিংহোমগুলির সঙ্গে পূর্বে চুক্তি ছিল সেই চুক্তি পুনর্নবীকরণ করেনি ইএসআই কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে হলদিয়াতে রয়েছে একটি ইএসআই এর বহির্বিভাগ। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অথবা অপারেশন করাতে হলে যেতে হচ্ছে হলদিয়া শহর থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে জোকার ইএসআই হাসপাতালে। হলদিয়াতে দীর্ঘ তিন বছর ধরে নবনির্মিত হাসপাতাল চালু না করার ফলে রীতিমতো সমস্যায় পড়ছেন শ্রমিকরা। কবে এই ইএসআই হাসপাতাল চালু হবে সেই দিকেই তাকিয়ে হলদিয়ার শ্রমিক মহল।





