মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ করেই আগুন লাগে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ আকার নেয়। যার জেরে একের পর এক অস্থায়ী ছাউনি ও দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, স্নান ঘাট সংলগ্ন রাস্তায় পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের জন্য তৈরি করা অস্থায়ী ছাউনি, খাবারের দোকান ও পসরা বাজারে আগুন লাগে। আগুনের লেলিহান শিখা এতটাই তীব্র ছিল যে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে কোনও প্রাণহানির খবর এখনও পর্যন্ত মেলেনি।

advertisement

আরও পড়ুনঃ ব্যাঙ্কিং পরিষেবা থেকে রিয়েল এস্টেট, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এবার AI সাহায্য করবে মানুষকে! রাজ্যের স্কুল, কলেজে দেওয়া হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাঠ

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পাশাপাশি পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেন। আগুন নেভানোর কাজে স্থানীয় বাসিন্দারাও সহযোগিতা করেন। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।

advertisement

View More

আরও পড়ুনঃ দু’শো বছরের ঐতিহ্যে বিদ্যার আরাধনা! বল্লভপুরের প্রাচীন সরস্বতী মন্দিরে বীণাপাণির আগমনে মাছ ধরার ইতিহাস, মনস্কামনা পূরণে ছুটে আসেন ভক্তরা

প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট বা রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে দমকল ও পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

এই অগ্নিকাণ্ডে বহু ব্যবসায়ীর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, অস্থায়ী ছাউনিগুলিতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। আগুন লাগার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগও পাননি তারা।ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গঙ্গাসাগরে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থী ও পর্যটকের সমাগম হয়। সেই কারণে অস্থায়ী দোকান ও ছাউনির সংখ্যা বেড়ে যায়। তবে এই ঘটনার পর নিরাপত্তা ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হবে।

advertisement