জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় কারখানায় শ্রমিকরা কাজ করছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে পরপর দু’বার বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, তারপরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের ধারণা, কোনও রঙের ড্রাম ফেটে যাওয়ার ফলেই আগুন দ্রুত গতিতে ছড়ায়। তবে ঘটনার মুহূর্তে শ্রমিকরা বাইরে বেরিয়ে আসায় বড়সড় প্রাণহানির আশঙ্কা এড়ানো গিয়েছে বলে স্থানীয়দের একাংশ দাবি করেছেন। যদিও গোডাউনের ভিতরে কেউ আটকে আছেন কি না, তা নিয়ে প্রথমে ধোঁয়াশা তৈরি হয়।
advertisement
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনীর চারটি ইঞ্জিন পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় দমকলকর্মীদের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুযায়ী প্রয়োজনে আরও ইঞ্জিন আনা হতে পারে বলে দমকল সূত্রে জানানো হয়েছে। দমকলের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। ঘটনাস্থলের পাশেই একটি ডায়াপারের কারখানা থাকায় উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। যদিও আপাতত ওই কারখানাটি নিরাপদে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
দমকল আধিকারিক অভিজিৎ ঘোষ জানান, তিনটি ইঞ্জিনের সাহায্যে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে সম্পূর্ণভাবে আগুন নেভাতে কিছুটা সময় লাগবে। আপাতত কোনও হতাহতের খবর নেই। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই একই এলাকায় এর আগেও একাধিকবার রঙ ও কেমিক্যালের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দু’বছর আগে এই গোডাউনেই আগুন লেগে একজনের মৃত্যু হয়েছিল।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয়দের অভিযোগ, আগেও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় শিক্ষা নেয়নি। কারখানার ভিতরে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকলেও তা কার্যকর ছিল না বলেই দাবি করছেন স্থানীয়রা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পরেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেন জোরদার করা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।






