Sundarbans News: শখের সুন্দরবন ভ্রমণে বিপদের আশঙ্কা! প্রাণ হাতে নিয়ে নদীবক্ষে লঞ্চ সফর, পর্যাপ্ত জেটির দাবি পর্যটন ব্যবসায়ীদের

Last Updated:
Sundarbans News: সুন্দরবন রাজ্যের অন্যতম ব্যস্ততম একটু পর্যটন কেন্দ্র। কিন্তু সেই সুন্দরবন ভ্রমনেই দিনদিন বাড়ছে বিপদের আশঙ্কা। সরু ও দুর্বল জেটিতে প্রাণ হাতে নিয়ে ওঠা নামা করতে হয় পর্যটকদের।
1/6
এখন শুধু শীতের মরশুম নয়, সারা বছরই সুন্দরবন ভ্রমণে আসেন দেশ বিদেশের পর্যটকরা। তবে শীতের মরশুম ও বর্ষায় ইলিশ উৎসবে সবচেয়ে বেশি পর্যটকদের আনাগোনা হয়। প্রতিদিন প্রায় পাঁচ হাজার পর্যটকদের জঙ্গলে ভ্রমণের অনুমতি দেয় বন দফতর। কিন্তু এছাড়াও বহু পর্যটক গোসাবা, পাখিরালয়, দয়াপুর-সহ অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রে যাতায়াত করেন। (তথ্য ও ছবি: সুমন সাহা)
এখন শুধু শীতের মরশুম নয়, সারা বছরই সুন্দরবন ভ্রমণে আসেন দেশ বিদেশের পর্যটকরা। তবে শীতের মরশুম ও বর্ষায় ইলিশ উৎসবে সবচেয়ে বেশি পর্যটকদের আনাগোনা হয়। প্রতিদিন প্রায় পাঁচ হাজার পর্যটকদের জঙ্গলে ভ্রমণের অনুমতি দেয় বন দফতর। কিন্তু এছাড়াও বহু পর্যটক গোসাবা, পাখিরালয়, দয়াপুর-সহ অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রে যাতায়াত করেন। (তথ্য ও ছবি: সুমন সাহা)
advertisement
2/6
কিন্তু এই বিপুল পরিমাণ পর্যটকদের ওঠানামার জন্য একাধিক পর্যটন কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত জেটি নেই। যেগুলি আছে সেগুলির স্বাস্থ্যও যথেষ্ট খারাপ বলেই দাবি স্থানীয়দের। ফলে যে কোন মুহূর্তে বড়সড় বিপদের সম্ভবনা রয়েছে বলেই তাদের অনুমান।
কিন্তু এই বিপুল পরিমাণ পর্যটকদের ওঠানামার জন্য একাধিক পর্যটন কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত জেটি নেই। যেগুলি আছে সেগুলির স্বাস্থ্যও যথেষ্ট খারাপ বলেই দাবি স্থানীয়দের। ফলে যে কোন মুহূর্তে বড়সড় বিপদের সম্ভবনা রয়েছে বলেই তাদের অনুমান।
advertisement
3/6
পর্যটনের ভরা মরশুমেই গত ১৭ই জানুয়ারি সন্ধ্যায় সুন্দরবন ভ্রমণে এসে ভুটভুটি থেকে পড়ে গিয়ে মাতলা নদীতে তলিয়ে গিয়েছেন এক যুবক। এই ঘটনা সামনে আসতেই নতুন করে সুন্দরবনের পর্যটন কেন্দ্রগুলির জেটির দুরাবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভুটভুটি থেকে পড়ে গিয়ে যদি পর্যটক নিখোঁজ হতে পারেন, তাহলে দুর্বল জেটি থেকে নদীবক্ষে পড়ে গিয়েও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
পর্যটনের ভরা মরশুমেই গত ১৭ই জানুয়ারি সন্ধ্যায় সুন্দরবন ভ্রমণে এসে ভুটভুটি থেকে পড়ে গিয়ে মাতলা নদীতে তলিয়ে গিয়েছেন এক যুবক। এই ঘটনা সামনে আসতেই নতুন করে সুন্দরবনের পর্যটন কেন্দ্রগুলির জেটির দুরাবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভুটভুটি থেকে পড়ে গিয়ে যদি পর্যটক নিখোঁজ হতে পারেন, তাহলে দুর্বল জেটি থেকে নদীবক্ষে পড়ে গিয়েও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
advertisement
4/6
পর্যটন ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত জেটি না থাকার কারণে প্রতি মুহূর্তে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ পর্যটকদের। সব থেকে বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে পাখিরালয়, দোবাঁকি, সজনেখালির মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে। পর্যটন মরশুমে প্রতিদিন এই পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে হাজার হাজার পর্যটকদের ভিড় হয়। শতাধিক লঞ্চ, ভুটভুটি জেটিতে নিজেদের জলযান ভিড়িয়ে যাত্রী ওঠা নামা করায়।
পর্যটন ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত জেটি না থাকার কারণে প্রতি মুহূর্তে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ পর্যটকদের। সব থেকে বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে পাখিরালয়, দোবাঁকি, সজনেখালির মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে। পর্যটন মরশুমে প্রতিদিন এই পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে হাজার হাজার পর্যটকদের ভিড় হয়। শতাধিক লঞ্চ, ভুটভুটি জেটিতে নিজেদের জলযান ভিড়িয়ে যাত্রী ওঠা নামা করায়।
advertisement
5/6
ফলে সরু ও দুর্বল জেটিতে ওঠা নামা করতে হয় প্রাণ হাতে নিয়েই। পাখিরালয়ের মূল ঘাটে একটাই জেটি পর্যটকদের জন্য। দীর্ঘদিন ধরে সেটির দুর্বল অবস্থা। পাশে একটি পলটুন জেটি তৈরির কাজ দীর্ঘদিন ধরেই অর্ধসমাপ্ত হয়ে রয়েছে। প্রায় এক কিলোমিটার দূরে যে আর একটি জেটি রয়েছে সেটির একাধিক জায়গায় পাটাতন ভেঙে গিয়েছে। ফলে যে কোনও সময় বিপদ ঘটতে পারে।
ফলে সরু ও দুর্বল জেটিতে ওঠা নামা করতে হয় প্রাণ হাতে নিয়েই। পাখিরালয়ের মূল ঘাটে একটাই জেটি পর্যটকদের জন্য। দীর্ঘদিন ধরে সেটির দুর্বল অবস্থা। পাশে একটি পলটুন জেটি তৈরির কাজ দীর্ঘদিন ধরেই অর্ধসমাপ্ত হয়ে রয়েছে। প্রায় এক কিলোমিটার দূরে যে আর একটি জেটি রয়েছে সেটির একাধিক জায়গায় পাটাতন ভেঙে গিয়েছে। ফলে যে কোনও সময় বিপদ ঘটতে পারে।
advertisement
6/6
সজনেখালি ও দোবাঁকিতে একটি মাত্র জেটি রয়েছে পর্যটকদের ওঠা নামার জন্য। ফলে পর্যটকদের ওঠা নামার ক্ষেত্রে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে এই পর্যটন মরশুমে। যে কোনও সময় বিপদের আশঙ্কাও করছেন অনেকেই। পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলেন, “বারে বারে এ বিষয়ে বন দফতর থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি আমরা কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। পর্যটকদের কোনও বিপদ ঘটলে তখন সব দোষ আমাদের ঘাড়েই পড়বে।
সজনেখালি ও দোবাঁকিতে একটি মাত্র জেটি রয়েছে পর্যটকদের ওঠা নামার জন্য। ফলে পর্যটকদের ওঠা নামার ক্ষেত্রে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে এই পর্যটন মরশুমে। যে কোনও সময় বিপদের আশঙ্কাও করছেন অনেকেই। পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলেন, “বারে বারে এ বিষয়ে বন দফতর থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি আমরা কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। পর্যটকদের কোনও বিপদ ঘটলে তখন সব দোষ আমাদের ঘাড়েই পড়বে।" (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
advertisement
advertisement