এতদিন যেখানে প্রায় ৩০ কিলোমিটার ঘুরপথে যেতে হত, এখন নতুন সেতুর মাধ্যমে সেই দূরত্ব কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ কিলোমিটারে। ফলে অর্ধেক সময়েই শহরে পৌঁছাতে পারছেন গ্রামবাসীরা। চিকিৎসা, প্রশাসনিক কাজ কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পরিষেবার জন্য এত দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হতেন বাসিন্দারা।
advertisement
এক গ্রামবাসী কৌলি বিবি জানান, “সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল নদী পারাপার। কালিন্দ্রী নদীর উপর কোনও স্থায়ী সেতু না থাকায় কখনও নৌকা, কখনও আবার বাঁশের অস্থায়ী সাঁকো ভরসা করে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত করতে হত। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠত।”
গ্রামের এক টোটো চালক বিমল মণ্ডল জানান, “ব্রিজ হওয়ায় বহুদিনের কষ্ট দূর হল। এখন খুব কম সময়ে শহরে পৌঁছান যাচ্ছে। অসুস্থ মানুষ নিয়ে যেতে আর আগের মত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না।”
আরও পড়ুন: ২৫০০ বছরের ইতিহাস ঘরে! মালদহের যুবকের সংগ্রহে ঝৌ রাজবংশ থেকে গুপ্ত যুগের মুদ্রা
ইংরেজবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রাজেশ পাল বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই এই সেতুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন এলাকাবাসী। শুধু ইংরেজবাজার নয়, রতুয়া দুই ব্লকের বহু গ্রাম এই সেতুর সুফল পাচ্ছে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের উদ্যোগে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কালিন্দ্রী নদীর উপর এই সেতু নির্মিত হয়েছে। বর্তমানে গ্রামে প্রবেশের সংযোগকারী রাস্তার কাজও চলছে।”
নতুন এই সেতু কেবল যাতায়াত সহজ করেনি, বরং একাধিক গ্রামকে মূল সড়কপথের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। ফলে এলাকার সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সেতু অন্যতম মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে গ্রামবাসীদের কাছে।




