এতদিন নদী পারাপার ছিল চরম ভোগান্তির। বর্ষায় জল বাড়লেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ত গ্রামগুলি। দীর্ঘ পথ ঘুরে যাতায়াত, নৌকায় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার কিংবা বাঁশের অস্থায়ী সাঁকোর উপর নির্ভর করাই ছিল একমাত্র ভরসা। ফলে শহর, হাসপাতাল কিংবা ফারাক্কা পৌঁছাতে লেগে যেত দীর্ঘ সময়।
আরও পড়ুন: দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ! মালদহের গাজোল স্টেশনে দিল্লিগামী ট্রেনের নতুন স্টপেজ, জানুন সময়সূচি
advertisement
নতুন ব্রিজ চালু হওয়ায় এখন হাঁটা থেকে বড় গাড়ি, এমনকি অ্যাম্বুলেন্সও সরাসরি প্রবেশ করতে পারছে গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দা জিয়াউল হক জানান, “আগে যেখানে শহরে যেতে অনেকটা সময় লাগত, এখন ব্রিজের উপর দিয়ে খুব কম সময়েই পৌঁছে যাওয়া যাচ্ছে।”
আর এক বাসিন্দা আহমেদ শেখ বলেন, “চিকিৎসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হত। আগে প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় লাগলেও এখন ২০ থেকে ৩০ মিনিটেই ফারাক্কা বা মালদহ শহরে পৌঁছানো সম্ভব।”
আরও পড়ুন: মাছ চাষে মালদহের জয়জয়কার, উৎপাদনে রেকর্ড গড়ে রাজ্য সরকারের বড় পুরস্কার পেলেন তিন উদ্যোক্তা
এদিন ফিতে কেটে ব্রিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্থানীয় বিধায়ক ও প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি জানান, “সরকারের লক্ষ্য প্রতিটি গ্রামকে শহরের সঙ্গে যুক্ত করা এবং মানুষের দুর্ভোগ কমানো। এই ব্রিজ নির্মাণে হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবেন।”
প্রায় ১ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বক্স ব্রিজ কালভার্ট কালিয়াচক এক ও তিন ব্লকের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করল। ফলে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলে গেল বলেই মনে করছেন স্থানীয় থেকে সকলে।





