এরপর এমএস পরীক্ষার সঙ্গে ওয়েস্ট বেঙ্গল অর্থোপেডিক অ্যাসোসিয়েশান প্রেসিডেন্স গোল্ড মেডেল এক্সাম দেন। সেই পরীক্ষায় রাজ্য থেকে ৬০ জন অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসক অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয় ১০ জনকে। সেই ১০ জনের মধ্যেই প্রথম হন সৌম্যদীপ। এই খবরে খুশির জোয়ার বইছে ডায়মন্ড হারবারে।
advertisement
সমাজের অন্যান্য স্তরের সঙ্গে এবার চিকিৎসা বিজ্ঞানেও সাফল্যের অবদান রেখেছে ডায়মন্ড হারবারের যুবক। খুশি সকলে। সৌম্যদীপ জানিয়েছেন, ডিউটির সঙ্গে পড়াশোনা করাটা যথেষ্ট কঠিন ছিল। অনেক সময় ৪৮ ঘন্টা করে ডিউটি করতে হয়েছে। তারমধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হয়েছে। এই সাফল্য লাভের পর তিনি ডায়মন্ড হারবারের গরিব, দুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসা সংক্রান্ত সহযোগিতা করতে চান। রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তনী হওয়ায় সমাজের প্রতি তাঁর একটি দায়বদ্ধতা আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই সাফল্যে খুবই খুশি সৌম্যদীপের পরিবারের লোকজন। সৌম্যদীপ মূলত হাড়ের চিকিৎসক। অস্থি ও হাড় সংক্রান্ত সমস্যায় সৌম্যদীপ এবার ডায়মন্ড হারবারের মানুষজনের জন্য ভাল কাজ করবেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সৌম্যদীপের সাফল্যে খুশি ডায়মন্ড হারবারের তামাম বাসিন্দারা।





