পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এবছরই এই দুই বন্ধু মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল। দু’জনেই একই স্কুলে পড়াশোনা করত। অভিযোগ, এরই মধ্যে শেখ সোয়েলের নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে শেখ আমরাজ। এরপর ওই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মেয়েদের সঙ্গে কথোপকথন ও প্রেম প্রস্তাব পাঠায় আমরাজ।
advertisement
বিষয়টি জানতে পেরে শেখ সোয়েল প্রতিবাদ জানিয়ে রবিবার বন্ধুর বাড়ি যায়। এরপর সেখানে বিষয়টি নিয়ে সোয়েল জিজ্ঞেস করতে গেলে পাল্টা শেখ আমরাজ ও তার বাবা-মা লাঠি ও বাঁশ দিয়ে সোয়েলকে মারধর করে বলে অভিযোগ। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা সোয়েলকে উদ্ধার করে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেখান থেকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে আনা হয় তারপর সেখান থেকে আবার কলকাতায় রেফার করা হয়।
কলকাতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ৪৮ ঘণ্টার মাথায় মৃত্যু হয় শেখ সোয়েলের। মৃত ছাত্রের এক আত্মীয় রূপালী বিবি জানান, “সামাজিক মাধ্যমে সোয়েলের নামে অ্যাকাউন্ট খুলে মেয়েদের কুপ্রস্তাব ও প্রেম প্রস্তাব পাঠাত আমরাজ। এরই প্রতিবাদে এদিন আবরাজের বাড়ি যায় সে। এতে বেজায় চটে যায় আমরাজের বাবা ফিজুর ও তার মা বেবি বিবি। লাঠি ও বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় শেখ সোয়েলকে। মারধরের জেরেই মৃত্যু হয়েছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জানা গিয়েছে এই ঘটনায় অভিযুক্ত বন্ধু ও তার মাকে আটক করে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মানিকচক থানার পুলিশ।






