দিঘার জগন্নাথ ধাম বা মহাকাল তীর্থের মতো একটি সাংস্কৃতিক তীর্থস্থানের ভাবনা তুলে ধরে তিনি বলেন, বইকেও কেন্দ্র করে এমন একটি স্থায়ী পরিসর গড়ে তোলা সম্ভব। গিল্ড কর্তার আবেদনের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকার সহযোগিতা করবে। তিনি বলেন, বই-তীর্থ তৈরির জন্য আইএনসিএ-র মাধ্যমে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে। পাশাপাশি তিনি গিল্ড কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সরকারি প্রক্রিয়ার জন্য আবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আগেই তার এই ধরনের একটি চিন্তা মাথায় এসেছিল, কিন্তু সময়ের অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি।
advertisement
আরও পড়ুন: সরস্বতী পুজোর আগে আবহাওয়ার ভোলবদল, সকালে ঘন কুয়াশা আর বেলা বাড়তেই রোদের ঝলক
তাঁর কথায়, সম্পূর্ণ বইকে কেন্দ্র করেই এই তীর্থ গড়ে উঠবে এবং ভবিষ্যতে কলকাতা বইমেলার স্থায়ী প্রাঙ্গণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকেন্দ্রে পরিণত হবে।এদিনের অনুষ্ঠানে গিল্ডের তরফে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার প্রশংসা করে বলা হয়, তাঁর উদ্যোগ ও অভিভাবকত্বেই আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা আজ স্থায়ী ঠিকানা পেয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে সাফল্যের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, এবছরের বইমেলায় প্রায় এক হাজার প্রকাশক ও বিক্রেতা অংশ নিচ্ছেন এবং ২১টি দেশ উপস্থিত রয়েছে।
এবারের ফোকাল থিম কান্ট্রি আর্জেন্টিনা। বই-তীর্থ তৈরির ঘোষণায় প্রকাশক মহল ও বইপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গিয়েছে। অনেকের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কলকাতা শুধু বইমেলার শহর হিসেবেই নয়, বরং স্থায়ী এক সাহিত্য তীর্থস্থান হিসেবেও দেশ-বিদেশে পরিচিতি পাবে। সব মিলিয়ে প্রথম দিন থেকেই জমে উঠেছে কলকাতা বইমেলা।






