সুধাংশু শেখরবাবু বলেন, আগামী বছর বইমেলা সুবর্ণজয়ন্তী বছরে পা দেবে। সেই উপলক্ষে বিশেষ আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন বইমেলা পরিচালনা কমিটির সভাপতি। বইমেলার শুরু থেকে ৫০ বছরের ইতিহাসের ছবি ও তথ্য যাঁদের কাছে রয়েছে, তাঁরা গিল্ডকে তা দিলে, আগামী বছর বইতীর্থে সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষের বইমেলা সেই স্মৃতি নিয়েই সাজানো হবে।
advertisement
গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় জানান, নতুন প্রজন্মের ভিড়ই প্রমাণ করে দিয়েছে বইয়ের প্রতি পাঠকের ভালোবাসা এখনও অটুট। তিনি জানান, ১৯৭৬ সালে মাত্র ৩২ জন প্রকাশক নিয়ে বইমেলার পথচলা শুরু হলেও ৫০ বছরের দোরগোড়ায় এসে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১০০-তে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের আবহ থাকা সত্ত্বেও এই বছর বইমেলায় অংশ নিয়েছে ব্রিটেন, ইউক্রেন ও চিনের মতো দেশ। আগামী বছর আশেপাশের আরও দেশকে নিয়ে অংশগ্রহণ বাড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তাঁরা। এদিন ঘণ্টা বাজিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সেই সঙ্গেই শুরু হয়ে যায় পঞ্চাশতম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার জন্য প্রতীক্ষা।






