জলপাইগুড়ি ও ময়নাগুড়ি শহরের পাশাপাশি আশপাশের গ্রামাঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা প্লাস্টিক বর্জ্য আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে রূপান্তরিত হচ্ছে ব্যবহারযোগ্য নানা সামগ্রীতে। এই ইউনিটে তৈরি হচ্ছে ‘বিশ্ববাংলা’ লেখা জলের ঢাকনা, ফুলের টব, কাপ, বাটি সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পরিবেশবান্ধব পণ্য। যা শুধু দূষণ কমাচ্ছে না, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও কাজে লাগছে।
advertisement
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক, এই প্রকল্পে নতুন জীবনের দিশা পেয়েছেন ময়নাগুড়ি ব্লকের খাগড়াবাড়ি-২ গ্রামের বহু মহিলা। আগে যাঁরা সংসারের চার দেওয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন, আজ তাঁরাই প্লাস্টিক সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও নতুন পণ্য তৈরির কাজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে চলা এই মহিলাদের চোখে এখন আত্মবিশ্বাসের ঝিলিক। একজন কর্মরত মহিলা জানালেন, “আগে প্লাস্টিক মানেই নোংরা আবর্জনা মনে হত। আজ সেই প্লাস্টিক থেকেই আমাদের রুজি-রোজগার হচ্ছে, এতে গর্ব বোধ করি।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের এই উদ্যোগ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যেমন শৃঙ্খলা এনেছে, তেমনই সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকেও একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত তৈরি করছে। পরিবেশ রক্ষা ও গ্রামীণ মহিলাদের আর্থিক ক্ষমতায়নের এই যুগলবন্দি আগামী দিনে অন্যান্য জেলাকেও অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। আবর্জনা থেকে সম্পদ তৈরির এই মডেলই বুঝিয়ে দেয় সচেতনতা আর উদ্যোগ থাকলে পরিবেশ বাঁচিয়েই সম্ভব উন্নয়নের নতুন পথ তৈরি করা।





