মুখ ও বধির রঞ্জিতের হাতের দক্ষতা আর সৃজনশীলতায় তৈরি এই সাইকেলে কেউ স্পর্শ করলেই বেজে ওঠে অ্যালার্ম। চুরি রোধে কার্যকর এক প্রযুক্তি। কি কি রয়েছে এই সাইকেলে জানেন? এই সাইকেলে রয়েছে ১০০টিরও বেশি ছোট-বড় আলো, একাধিক হর্ন, স্টিরিওফোনিক সাউন্ড বক্স এবং গান শোনার ব্যবস্থাও। সামনে ও পিছনে মিলিয়ে রয়েছে চারটি ইন্ডিকেটর। বাইকের মতো লক সিস্টেমে সুরক্ষিত এই সাইকেল সন্ধ্যা নামলেই আলোয় ঝলমল করে ওঠে।
advertisement
যা দেখতে ভিড় জমান স্থানীয় মানুষজন। মোবাইলে ছবি-ভিডিও তোলার হিড়িকও চোখে পড়ার মতো। রঞ্জিত ধর ময়নাগুড়ি বাজার এলাকার বাসিন্দা। ময়নাগুড়ি-মালবাজার ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে আদর্শ প্রজ্ঞাপাড়ায় তাঁর সাইকেল মেরামতির দোকান। প্রায় ১২ বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত তিনি। চার বছর আগে মাত্র ৪০০ টাকায় একটি পুরনো সাইকেল কিনে নিজের ভাবনা ও পরিশ্রমে ধীরে ধীরে তাকে রূপ দিয়েছেন অভিনব এক সৃষ্টিতে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয়দের মতে, রঞ্জিত অত্যন্ত পরিশ্রমী ও দায়িত্ববান। কাজে তাঁর নিষ্ঠা ও মনোযোগ আলাদা করে চোখে পড়ে। কেউ চাইলে অর্ডার দিলে মাত্র দু’দিনের মধ্যেই এমন সাইকেল তৈরি করে দিতে পারেন তিনি। স্থানীয়দের দাবি, উপযুক্ত সুযোগ ও সহযোগিতা পেলে রঞ্জিত ধরের এই উদ্ভাবন আরও বড় মঞ্চে পৌঁছতে পারে। আর সেইসঙ্গে প্রমাণ করতে পারে, প্রতিভার কোনও সীমাবদ্ধতা নেই।





