প্রথম দিনেই সাফল্যের সঙ্গে তিনজন প্রসূতি মায়ের ইলেকটিভ সিজারিয়ান সেকশন সম্পন্ন হয়। তার মধ্যেই প্রথম সিজারিয়ানে জন্ম নেয় এক পুত্রসন্তান—যার নাম রাখলেন স্বয়ং জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে মহকুমা হাসপাতালে উন্নীত হওয়ার পর ধাপে ধাপে পরিকাঠামো ও চিকিৎসা পরিষেবার উন্নয়ন চলছে। ইতিমধ্যেই হাসপাতাল চত্বরে পাঁচতলা নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তারই পাশাপাশি প্রসূতি পরিষেবায় আরও এক ধাপ এগিয়ে এদিন চালু হল ইলেকটিভ সিজারিয়ান সেকশন।
advertisement
আরও পড়ুন: ইলিশ-চিংড়ি-পমফ্রেট ধরার ট্রলার তৈরির খরচই কোটি টাকা! জানুন সামুদ্রিক মৎস্য ব্যবসার লাভ-ক্ষতির অঙ্ক
এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. অসীম হালদার, ধূপগুড়ির বিধায়ক ডা. নির্মল চন্দ্র রায়, ধূপগুড়ি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. অঙ্কুর চক্রবর্তী-সহ একাধিক চিকিৎসক ও জনপ্রতিনিধি। প্রথম সিজারিয়ানে জন্ম নেওয়া শিশুর নাম ‘উৎসব’ রাখা হয়—নতুন পরিষেবার সূচনাকে স্মরণীয় করে রাখতে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সিজারিয়ান পরিষেবা চালু হওয়ায় ধূপগুড়ি মহকুমার চা-বাগান অধ্যুষিত এলাকা ও বনবস্তির বাসিন্দারা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। জরুরি প্রয়োজনে আর জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে ছুটে যেতে হবে না বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন রোগীর আত্মীয়রা। স্থানীয়দের মতে, এই পরিষেবা চালু হওয়ায় ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতাল আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল আধুনিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর পথে।





