গ্রামীণ এলাকায় সঠিক স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরি এবং নারীদের স্বনির্ভর করে তোলাই ছিল এই বিশেষ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। এক নজরকাড়া সাংস্কৃতিক শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অংশগ্রহণকারী মহিলারা সেখানে তাঁদের নিজস্ব লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে গর্বের সঙ্গে তুলে ধরেন।
আরও পড়ুনঃ ডেবরায় পানীয় জলের হাহাকার! PHE-র পাম্প খারাপ হয়ে বিপত্তি, প্রায় চার মাস ধরে বিপাকে ৬০টি পরিবার
advertisement
আইআইটি খড়গপুরের মূল প্রবেশদ্বার থেকে শুরু হওয়া এই পদযাত্রা ক্যাম্পাসের রুরাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে গিয়ে শেষ হয়। উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের অধিকর্তা অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী। তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, গ্রামীণ নারীদের সঠিক স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং স্থানীয় সম্পদের উপর ভিত্তি করে স্বনির্ভর হয়ে ওঠাই হল সামাজিক প্রগতির মূল চাবিকাঠি। সঠিক তথ্যের অভাব ও সামাজিক কুসংস্কার দূর করার উপরেও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এই কর্মশালা মূলত দু’টি ভিন্ন কারিগরি অধিবেশনে বিন্যস্ত ছিল, যা গ্রামীণ জীবনের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানে বিশেষ আলোকপাত করে। প্রথম অধিবেশনে অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা মা ও শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং পরিবার পরিকল্পনার মতো অত্যন্ত জরুরি বিষয়গুলি নিয়ে সহজ ভাষায় আলোচনা করেন। এরপরের অধিবেশনে বিশেষজ্ঞরা ঘরোয়া শক্তির সঠিক ও সাশ্রয়ী ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই জীবনযাপনের উপর দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এর ফলে মহিলারা যেমন স্বাস্থ্যের বিষয়ে সচেতন হয়েছেন, তেমনই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের পথ খুঁজে পেয়েছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অধ্যাপক সোমনাথ ঘোষালের পরিচালনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠান অংশগ্রহণকারী মহিলাদের মধ্যে বিপুল উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। কর্মশালা শেষে মহিলারা আইআইটি কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে তাঁদের নিজস্ব গ্রামগুলিতেও এই ধরণের আরও সচেতনতা শিবির আয়োজনের জন্য অনুরোধ জানান। গ্রামীণ সমাজের সামগ্রিক বিকাশ ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আইআইটি খড়গপুর তাঁদের এই সামাজিক দায়বদ্ধতা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে আবারও এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।






