সেখানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীরা একযোগে নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এক ব্যবসায়ী জানান, আগে ব্যবসা থেকে সহজেই সংসার চলত, এখন সেই ব্যবসায় দোকান ভাড়া, কর্মচারীদের বেতন ও অন্যান্য খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাঁর কথায়, লাভ তো দূরের কথা, অনেক সময় মূলধন তুলতেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ বেহালা চৌরাস্তা ক্রসিং থেকে জোকা! ডায়মন্ড হারবার রোডের এই ৪ কিমি নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ, কেন জানুন
advertisement
সম্মেলনে উপস্থিত আরেক সুরা ব্যবসায়ীর বক্তব্য, কর বৃদ্ধি, লাইসেন্স সংক্রান্ত জটিলতা এবং বাজারে ব্যবসায়ী বৃদ্ধির ফলে বিক্রি কমে যাওয়ায় ব্যবসা চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, সরকারের তরফে দ্রুত সহায়তা ও নীতিগত পরিবর্তন না হলে বহু ছোট ও মাঝারি সুরা ব্যবসায়ী বাধ্য হয়ে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে পারেন।
ব্যবসায়ীদের দাবি, অবিলম্বে কর কাঠামো সরলীকরণ, প্রশাসনিক জটিলতা হ্রাস এবং ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কার্যকর সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা হোক। নাহলে আগামী দিনে সুরা ব্যবসার ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে বলেই তাঁদের আশঙ্কা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই প্রসঙ্গে ব্যবসায়ী তথা সংগঠন সহকারী সম্পাদক মিহির চক্রবর্তী জানান, যখন ডিস্ট্রিবিউটর আন্ডারে ছিল, সেই সময় লভ্যাংশ ১৫-১৭ শতাংশ ছিল। বর্তমানে তা কমে ২.৫-৩ এবং সিএস-এর ক্ষেত্রে সামান্য বেশি। এদিকে বাইরে থেকে সাধারণ মানুষের ধারণা, এই ব্যবসায় লাভের পরিমাণ অসম্ভব বেশি। কিন্তু বর্তমানে ব্যবসায়ীদের অবস্থা মোটেও ভাল নয়।






